
প্রতিবেদক, বিডিজেন

একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় গিয়ে কাজ ও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া নামে এক কম্বোডিয়াপ্রবাসী। গত রোববার (৮ মার্চ) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) তার পক্ষে অভিযোগ জমা দিয়েছেন স্ত্রী রহিমা আক্তার।
শুধু আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া একা নন, ওই এজেন্সির মাধ্যমে ২০ জনের বেশি কম্বোডিয়ায় গিয়ে একই ধরনের সমস্যা মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের স্থানীয়ভাবে একটি জায়গায় আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন আরেক ভুক্তভোগী।
রহিমা আক্তার বিএমইটিতে দেওয়া অভিযোগপত্রে বলেন, তার স্বামী আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া (পাসপোর্ট নম্বর এ০০০০৪০৩১) আলিফ ইন্টারন্যাশনাল (আরএল–২৫২৭) রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদ্যুতের হেলপারের কাজের জন্য কম্বোডিয়ায় যান। কথা ছিল তার স্বামীকে কাজের জন্য প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৮ ডলার দেওয়া হবে। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ১৪ তারিখে নেওয়ার পর ১৬ দিন কাজ ছিল। এরপর থেকে তাকে কোনো কাজ নেই। তিন মাস ধরে তার স্বামী বসে আছে। তিনি এজেন্সিতে কয়েকবার এই বিষয়ে কথা বলতে যান। কিন্তু এজেন্সি তার স্বামীর কাজের ব্যবস্থা করে দিবে বলে শুধু সময় নিচ্ছে।
অভিযোগপত্রে রহিমা আক্তার আরও উল্লেখ করেন, আমি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা এবং বাড়ি বন্ধক রেখে তিন লাখ টাকা লোন নিয়েছি। মোট পাঁচ লাখ টাকা এজেন্সিকে দিয়েছিলাম। এখন আমি কীভাবে কিস্তি ও সংসার চালাব? এজেন্সির প্রতারণার কারণে আমার ফ্যামিলির অবস্থা অনেক খারাপ। আপনাদের কাছে আকুল আবেদন আপনারা এটার একটি ব্যবস্থা নিন।
কম্বোডিয়া থেকে আপেল মাহামুদ বিডিজেনকে বলেন, আমাদের এখানে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের অনেকেই আছি। আমাদের কাজ দেওয়ার কথা বলে বলে ঘোরানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিসহ কাজের পারমিট না দিলে আমরা অবৈধ হয়ে যাব। তারপর জেল খেটে দেশে ফেরা লাগবে। এখন দ্রুত কাজ না দিলে দেশে ফিরতে চাই। কাজ–কাম না থাকলে এখানে থাইকা কি করব?
এ বিষয়ে জানতে বিডিজেনের পক্ষ থেকে আলিফ ইন্টারন্যাশনালের অফিসিয়াল ফোন নম্বরে কল করলে সাংবাদিক পরিচয় শুনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কম্বোডিয়ায় গিয়ে কাজ ও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া নামে এক কম্বোডিয়াপ্রবাসী। গত রোববার (৮ মার্চ) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোতে (বিএমইটি) তার পক্ষে অভিযোগ জমা দিয়েছেন স্ত্রী রহিমা আক্তার।
শুধু আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া একা নন, ওই এজেন্সির মাধ্যমে ২০ জনের বেশি কম্বোডিয়ায় গিয়ে একই ধরনের সমস্যা মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের স্থানীয়ভাবে একটি জায়গায় আটকে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন আরেক ভুক্তভোগী।
রহিমা আক্তার বিএমইটিতে দেওয়া অভিযোগপত্রে বলেন, তার স্বামী আপেল মাহামুদ ভুঁইয়া (পাসপোর্ট নম্বর এ০০০০৪০৩১) আলিফ ইন্টারন্যাশনাল (আরএল–২৫২৭) রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদ্যুতের হেলপারের কাজের জন্য কম্বোডিয়ায় যান। কথা ছিল তার স্বামীকে কাজের জন্য প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৮ ডলার দেওয়া হবে। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ১৪ তারিখে নেওয়ার পর ১৬ দিন কাজ ছিল। এরপর থেকে তাকে কোনো কাজ নেই। তিন মাস ধরে তার স্বামী বসে আছে। তিনি এজেন্সিতে কয়েকবার এই বিষয়ে কথা বলতে যান। কিন্তু এজেন্সি তার স্বামীর কাজের ব্যবস্থা করে দিবে বলে শুধু সময় নিচ্ছে।
অভিযোগপত্রে রহিমা আক্তার আরও উল্লেখ করেন, আমি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে দুই লাখ টাকা এবং বাড়ি বন্ধক রেখে তিন লাখ টাকা লোন নিয়েছি। মোট পাঁচ লাখ টাকা এজেন্সিকে দিয়েছিলাম। এখন আমি কীভাবে কিস্তি ও সংসার চালাব? এজেন্সির প্রতারণার কারণে আমার ফ্যামিলির অবস্থা অনেক খারাপ। আপনাদের কাছে আকুল আবেদন আপনারা এটার একটি ব্যবস্থা নিন।
কম্বোডিয়া থেকে আপেল মাহামুদ বিডিজেনকে বলেন, আমাদের এখানে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের অনেকেই আছি। আমাদের কাজ দেওয়ার কথা বলে বলে ঘোরানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিসহ কাজের পারমিট না দিলে আমরা অবৈধ হয়ে যাব। তারপর জেল খেটে দেশে ফেরা লাগবে। এখন দ্রুত কাজ না দিলে দেশে ফিরতে চাই। কাজ–কাম না থাকলে এখানে থাইকা কি করব?
এ বিষয়ে জানতে বিডিজেনের পক্ষ থেকে আলিফ ইন্টারন্যাশনালের অফিসিয়াল ফোন নম্বরে কল করলে সাংবাদিক পরিচয় শুনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
শুক্রবার শেরিফ ক্রোনিস্টার জানান, বৃষ্টির মরদেহের অবস্থার কারণে তাকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করতে পুলিশকে ডেন্টাল রেকর্ড ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩০ এপ্রিল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
এপ্রিলে প্রবাসী আয়ের এই জোয়ার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে দেশে সর্বমোট ২ হাজার ৯২১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বছর ব্যবধানে প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ।
গোলাম মোর্তোজা জানান, লিমনের মরদেহ ইতিমধ্যে ফিউনারেল হোমে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে মরদেহটি অরল্যান্ডো (এমসিও) থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে পাঠানো হবে। ফ্লাইটটি ২ মে রাত ৮টা ৫০ মিনিটে রওনা দেবে।
প্রকল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় জানানো হয়, আরএমটিপি প্রকল্পটি ৯০টি কৃষিভিত্তিক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি সদস্যকে সম্পৃক্ত করেছে। এ প্রকল্পে অংশগ্রহণকারীদের কৃষিপণ্য উৎপাদন বেড়েছে ৬৬ শতাংশ, আয় বেড়েছে ৪৯ শতাংশ এবং মুনাফা বেড়েছে ৪১ শতাংশ।