
বিডিজেন ডেস্ক

মানিকগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শহরের পশ্চিম বান্দুটিয়া এলাকার কবি মহিদুর রহমান সড়কের একটি বাসা থেকে লাশ ৩টি উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর আজকের পত্রিকার।
মৃতরা হলো মালয়েশিয়াপ্রবাসী শাহীন দেওয়ানের স্ত্রী শিখা আক্তার (২৭) তার দুই সন্তান আলভী (৭) ও সায়মা আক্তার (২)।
পুলিশ জানায়, লাশের পাশে বিষের ট্যাবলেট (অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইট) পাওয়া গেছে।
প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য তিনি ওই নারীর বাসার দরজার কড়া নাড়লে কোনো সাড়াশব্দ পাননি। পরে বাড়ির মালিককে খবর দিলে তিনি পুলিশের সেবা নম্বর ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখে, রুমের বিছানার ওপর মা শিখা আক্তারের লাশ। আর খাটের নিচে মেঝেতে নিথর পড়ে রয়েছে দুই শিশু।
প্রবাসী শাহীনের মামা আমান আনসারী জানান, শাহীন দেশে থাকতে হ্যালোবাইক চালাতেন। এক মাস আগে তিনি মালয়েশিয়া যান। শিখা আক্তার ছিলেন শাহীনের দ্বিতীয় স্ত্রী। মৃত দুই সন্তানের মধ্যে পুত্র আলভী আগের ঘরের সন্তান আর মেয়ে সায়মা এ ঘরের সন্তান।
সদর থানার এসআই তরিকুল ইসলাম জানান, প্রবাসী শাহীনের সঙ্গে তার স্ত্রীর দাম্পত্যকলহ চলছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

মানিকগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শহরের পশ্চিম বান্দুটিয়া এলাকার কবি মহিদুর রহমান সড়কের একটি বাসা থেকে লাশ ৩টি উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর আজকের পত্রিকার।
মৃতরা হলো মালয়েশিয়াপ্রবাসী শাহীন দেওয়ানের স্ত্রী শিখা আক্তার (২৭) তার দুই সন্তান আলভী (৭) ও সায়মা আক্তার (২)।
পুলিশ জানায়, লাশের পাশে বিষের ট্যাবলেট (অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইট) পাওয়া গেছে।
প্রতিবেশী আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার জন্য তিনি ওই নারীর বাসার দরজার কড়া নাড়লে কোনো সাড়াশব্দ পাননি। পরে বাড়ির মালিককে খবর দিলে তিনি পুলিশের সেবা নম্বর ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখে, রুমের বিছানার ওপর মা শিখা আক্তারের লাশ। আর খাটের নিচে মেঝেতে নিথর পড়ে রয়েছে দুই শিশু।
প্রবাসী শাহীনের মামা আমান আনসারী জানান, শাহীন দেশে থাকতে হ্যালোবাইক চালাতেন। এক মাস আগে তিনি মালয়েশিয়া যান। শিখা আক্তার ছিলেন শাহীনের দ্বিতীয় স্ত্রী। মৃত দুই সন্তানের মধ্যে পুত্র আলভী আগের ঘরের সন্তান আর মেয়ে সায়মা এ ঘরের সন্তান।
সদর থানার এসআই তরিকুল ইসলাম জানান, প্রবাসী শাহীনের সঙ্গে তার স্ত্রীর দাম্পত্যকলহ চলছিল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬-এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিফজুর রহমান গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বলেন, আমি বিভিন্ন অফিসে ঘুরে ঘুরে হয়রান কিন্তু আমার পাসপোর্ট ও টাকা পাইনি। এসব আমি যেকোনোভাবে ফেরত চাই।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি