
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ঈদের পর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) আসা কমেছে। এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা ২৭৫ কোটি ২০ লাখ (ইউএস) ডলার পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৩৪ শতাংশ বেশি। ২০২৪ এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে রেমিট্যান্সের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৯১১ কোটি ডলার।
রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত মার্চ মাসে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। মার্চ মাসে প্রবাসীরা ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান, যা একক মাস হিসেবে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ডলার। আগের বছরের মার্চের তুলনায় এবার একই মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয় ৬৪ শতাংশ। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।

ঈদের পর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) আসা কমেছে। এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা ২৭৫ কোটি ২০ লাখ (ইউএস) ডলার পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে যা ৩৪ শতাংশ বেশি। ২০২৪ এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে রেমিট্যান্সের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৯১১ কোটি ডলার।
রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত মার্চ মাসে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। মার্চ মাসে প্রবাসীরা ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান, যা একক মাস হিসেবে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ডলার। আগের বছরের মার্চের তুলনায় এবার একই মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয় ৬৪ শতাংশ। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ডলার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।