
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। দেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়নের স্বার্থে রেমিট্যান্সসংক্রান্ত সেবা আরও সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।
রোববার (২২ জুন) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কবীর আহমেদ ও হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন একচেঞ্জ হাউসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকের চেয়্যারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা কাজ করছেন। কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বাড়ানো সম্ভব। এনআরবিসি ব্যাংক সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায়। এ জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার একচেঞ্জ হাউসগুলোর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, এনআরবিসি ব্যাংকের শাখা, উপশাখাসহ বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। একচেঞ্জ হাউসগুলোর সহযোগিতায় রেমিট্যান্স সেবা সহজেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে এনআরবিসি ব্যাংক।
সভায় একচেঞ্জ হাউসগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, রেমিট্যান্সপ্রবাহে বৈশ্বিক বাজারে বিপুল অঙ্কের লেনদেন হচ্ছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এই সেবা প্রতিনিয়ত সহজতর হচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যাংক ও একচেঞ্জ হাউসগুলো একে অপরের সহযোগী হিসেবে এই রেমিট্যান্স সেবা দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত ও সেবার মান উন্নয়ন ঘটিয়ে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বাড়ানো সম্ভব।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। দেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়নের স্বার্থে রেমিট্যান্সসংক্রান্ত সেবা আরও সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।
রোববার (২২ জুন) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কবীর আহমেদ ও হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন একচেঞ্জ হাউসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যাংকের চেয়্যারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা কাজ করছেন। কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রবাসীদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বাড়ানো সম্ভব। এনআরবিসি ব্যাংক সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায়। এ জন্য রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার একচেঞ্জ হাউসগুলোর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, এনআরবিসি ব্যাংকের শাখা, উপশাখাসহ বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রামে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হচ্ছে। একচেঞ্জ হাউসগুলোর সহযোগিতায় রেমিট্যান্স সেবা সহজেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে এনআরবিসি ব্যাংক।
সভায় একচেঞ্জ হাউসগুলোর প্রতিনিধিরা বলেন, রেমিট্যান্সপ্রবাহে বৈশ্বিক বাজারে বিপুল অঙ্কের লেনদেন হচ্ছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নে এই সেবা প্রতিনিয়ত সহজতর হচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যাংক ও একচেঞ্জ হাউসগুলো একে অপরের সহযোগী হিসেবে এই রেমিট্যান্স সেবা দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত ও সেবার মান উন্নয়ন ঘটিয়ে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও বাড়ানো সম্ভব।
সৌদি আরবে ভ্রমণ, ওমরাহ ও ফাইনাল এক্সিট ভিসায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া ব্যক্তিদের বিনা জরিমানায় দেশ ছাড়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য সৌদি আরবের দাম্মাম ও কাইসুমা বিমানবন্দর ব্যবহার করে বিকল্প রুট চালুর কাজ চলছে।
নুরুল হক জানান, বর্তমানে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভিয়েতনামের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিকল্প ও শক্তিশালী শ্রমবাজার হিসেবে নতুন গন্তব্য তৈরি হবে।
দূতাবাস বলেছে, গালফ এয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফেরার ২টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এই ফ্লাইট সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে চলাচল করবে।