
বিডিজেন ডেস্ক

চাঁদপুরে বাবা-মাকে মারধর করায় এক ছেলেকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। যার কারদণ্ড হয়েছে তাঁর নাম ইসমাইল চৌধুরী মানিক।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
তিনি ইউএনবিকে বলেন, মানিকের বাবা ও মা আমাদের কাছে এবং চাঁদপুর মডেল থানায় সরাসরি এসে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সেখানে তারা প্রতিনিয়ত মারধরের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। যার কারণে মডেল থানার সহযোগিতা নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
এ ছাড়া মানিক যে তার মা-বাবাকে মারধর করেন, স্থানীয়রাও আমাদের তা জানায় বলে জানান তিনি।
পরে মানিক নিজেও স্বীকারোক্তি দেয়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মানিককে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

চাঁদপুরে বাবা-মাকে মারধর করায় এক ছেলেকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। যার কারদণ্ড হয়েছে তাঁর নাম ইসমাইল চৌধুরী মানিক।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
তিনি ইউএনবিকে বলেন, মানিকের বাবা ও মা আমাদের কাছে এবং চাঁদপুর মডেল থানায় সরাসরি এসে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সেখানে তারা প্রতিনিয়ত মারধরের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। যার কারণে মডেল থানার সহযোগিতা নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
এ ছাড়া মানিক যে তার মা-বাবাকে মারধর করেন, স্থানীয়রাও আমাদের তা জানায় বলে জানান তিনি।
পরে মানিক নিজেও স্বীকারোক্তি দেয়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মানিককে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”