

বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের উমনপুরে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহী জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে দুলাল আহমেদ (৪৫)।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেলে হরিপুর থেকে চিকনাগুল যাওয়ার পথে উমনপুরে একটি মোড়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। তবে কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা যায়নি।
দুলাল আহমেদকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের উমনপুরে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহী জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে দুলাল আহমেদ (৪৫)।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেলে হরিপুর থেকে চিকনাগুল যাওয়ার পথে উমনপুরে একটি মোড়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। তবে কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা জানা যায়নি।
দুলাল আহমেদকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।
তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে একটি বৈদ্যুতিক প্যানেল বোর্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন ইব্রাহিম। কাজের একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে থাকা উচ্চক্ষমতার সার্কিট ব্রেকারে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি ইলেকট্রিক্যাল আর্ক ব্লাস্ট ঘটে।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা।
দুই পক্ষ শিক্ষা, কৃষি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারত্বকে এগিয়ে নেওয়ার যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো, দক্ষতার সনদায়ন জোরদার করা এবং কর্মীরা যাতে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা নিয়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন তা নিশ্চিত করা।”