
প্রতিবেদক, বিডিজেন

নতুন বাজেটে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের পাশাপাশি আপন ভাই ও আপন বোনকে করমুক্ত দানের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, আপন ভাই-বোন নিজেদের সহোদরকে দান করলে তা করমুক্ত থাকবে।
এত দিন স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা ও সন্তানের বাইরে অন্য কেউ দান করলে তা কর বসত। এখন থেকে আপন ভাই-বোনের দান করমুক্ত থাকল।
এর ফলে পারিবারিক জমি, ফ্ল্যাটসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর আরও সহজ হবে। এমনকি বিদেশে থাকা ভাই-বোনেরা অর্থ পাঠাতে পারবেন। কর দিতে হবে না।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সময় নিজেদের ভাই-বোনকে বিভিন্ন সময় অর্থ পাঠান ও দামি উপহার দেন। আবার প্রবাসী শ্রমিকেরা অনেক সময় রেমিট্যান্সের অর্থ নিজেদের ভাই-বোনের হিসাবে পাঠান। কিন্তু রেমিট্যান্সের অর্থ করমুক্ত থাকলেও বিষয়টি পরিষ্কার ছিল না। এবার দান করের আওতায় তা পরিষ্কার করা হলো।
বাড়তি কর পরের বছর সমন্বয় করা যাবে-এমন সুযোগ রাখা হয়েছে। আপনি উৎসে বা অগ্রিম কর হিসেবে সরকারের কোষাগারের টাকা জমা দিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেল আপনার মোট করের বেশি আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সরকারের জমা করা অতিরিক্ত কর পরের বছরে সমন্বয় করা যাবে। বাজেটে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন বাজেটে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের পাশাপাশি আপন ভাই ও আপন বোনকে করমুক্ত দানের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, আপন ভাই-বোন নিজেদের সহোদরকে দান করলে তা করমুক্ত থাকবে।
এত দিন স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা ও সন্তানের বাইরে অন্য কেউ দান করলে তা কর বসত। এখন থেকে আপন ভাই-বোনের দান করমুক্ত থাকল।
এর ফলে পারিবারিক জমি, ফ্ল্যাটসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর আরও সহজ হবে। এমনকি বিদেশে থাকা ভাই-বোনেরা অর্থ পাঠাতে পারবেন। কর দিতে হবে না।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সময় নিজেদের ভাই-বোনকে বিভিন্ন সময় অর্থ পাঠান ও দামি উপহার দেন। আবার প্রবাসী শ্রমিকেরা অনেক সময় রেমিট্যান্সের অর্থ নিজেদের ভাই-বোনের হিসাবে পাঠান। কিন্তু রেমিট্যান্সের অর্থ করমুক্ত থাকলেও বিষয়টি পরিষ্কার ছিল না। এবার দান করের আওতায় তা পরিষ্কার করা হলো।
বাড়তি কর পরের বছর সমন্বয় করা যাবে-এমন সুযোগ রাখা হয়েছে। আপনি উৎসে বা অগ্রিম কর হিসেবে সরকারের কোষাগারের টাকা জমা দিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু বছর শেষে দেখা গেল আপনার মোট করের বেশি আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সরকারের জমা করা অতিরিক্ত কর পরের বছরে সমন্বয় করা যাবে। বাজেটে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষমাপ্রাপ্ত সব বাংলাদেশি ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে এসেছেন। তারা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই আন্দোলনের সময় আমিরাতে আটক হয়েছিলেন।
সংলাপে মূলত ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—বায়রাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের পরিকল্পনা, নৈতিক নিয়োগ নিশ্চিতকরণে প্রার্থীদের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশে ও গন্তব্য দেশসমূহে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ।