
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় ১২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়ছে। উড়োজাহাজটিতে থাকা ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৯ জনই নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। উড়োজাহাজটিতে ৬ ক্রু ও ১৭৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং ২ জন থাইল্যান্ডের বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। উদ্ধারকাজ শুরুর পর সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে হতাহতের সংখ্যা।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়ছে। এর মধ্যে ৫৪ জন পুরুষ এবং ৫৭ জন নারী। আর ১৩টি মরদেহের অবস্থা এমন যে, তাৎক্ষণিকভাবে তাদের লৈঙ্গিক পরিচয় নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া প্রাথমিকভাবে দুজনকে জীবিত উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সময় আজ রোববার ভোরে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় জিজু এয়ারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে এসে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি দেয়ালের সঙ্গে আঘাত লেগে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উড়োজাহাজাটি।
উড়োজাহাজটি কীভাবে রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয় তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজটি বিমানবন্দরে অবতরণ করছে। রানওয়ে ধরে জোর গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় উড়োজাহাজটির কোনো ল্যান্ডিং গিয়ার দেখা যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে উড়োজাহাজটি রানওয়ের শেষ প্রান্তে থাকা একটি দেয়ালে গিয়ে প্রচণ্ডবেগে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে বড় বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনের শিখা আকাশের দিকে উঠে যায়। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডুলিতে ছেয়ে যায় আকাশ।

দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানওয়েতে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় ১২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়ছে। উড়োজাহাজটিতে থাকা ১৮১ জনের মধ্যে ১৭৯ জনই নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। উড়োজাহাজটিতে ৬ ক্রু ও ১৭৫ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ১৭৩ জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং ২ জন থাইল্যান্ডের বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। উদ্ধারকাজ শুরুর পর সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে হতাহতের সংখ্যা।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়ছে। এর মধ্যে ৫৪ জন পুরুষ এবং ৫৭ জন নারী। আর ১৩টি মরদেহের অবস্থা এমন যে, তাৎক্ষণিকভাবে তাদের লৈঙ্গিক পরিচয় নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া প্রাথমিকভাবে দুজনকে জীবিত উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সময় আজ রোববার ভোরে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় জিজু এয়ারের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে এসে মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি দেয়ালের সঙ্গে আঘাত লেগে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উড়োজাহাজাটি।
উড়োজাহাজটি কীভাবে রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয় তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, উড়োজাহাজটি বিমানবন্দরে অবতরণ করছে। রানওয়ে ধরে জোর গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় উড়োজাহাজটির কোনো ল্যান্ডিং গিয়ার দেখা যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে উড়োজাহাজটি রানওয়ের শেষ প্রান্তে থাকা একটি দেয়ালে গিয়ে প্রচণ্ডবেগে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে বড় বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনের শিখা আকাশের দিকে উঠে যায়। কালো ধোঁয়ার কুণ্ডুলিতে ছেয়ে যায় আকাশ।
সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সিলেট–৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এম এ মালিক। সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এবং মৌলভীবাজার–২ (কুলাউড়া) আসনে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মো. সওকতুল ইসলাম মনোনয়ন পান।
তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের, গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছে।”
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই।