
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ (২২ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ দিনে ১৬৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সময় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক গড় রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে মোট রেমিট্যান্স ২৩৩ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনেয়ারা শিখা বলেন, জুলাই থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ক্রমাগত বেড়েছে। প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং রিজার্ভ হ্রাস থামিয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২ হাজার ৩৯২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ এসেছে, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ (২২ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ দিনে ১৬৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সময় ৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে দৈনিক গড় রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে মোট রেমিট্যান্স ২৩৩ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনেয়ারা শিখা বলেন, জুলাই থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ক্রমাগত বেড়েছে। প্রবাসীরা বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে এবং রিজার্ভ হ্রাস থামিয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২ হাজার ৩৯২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ এসেছে, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”