
বিডিজেন ডেস্ক

সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধে বিবাদমান দুই পক্ষ দেশে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। চালানো হচ্ছে নির্যাতন এবং নির্বিচারের আটক করা হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকদের। এ অবস্থায় সেখানে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ ও শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘ এ সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী (আরএসএফ) উভয় পক্ষই যুদ্ধাপরাধ করছে। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো হচ্ছে নির্যাতন এবং নির্বিচারে আটক করা হচ্ছে তাদের।
ফ্যাক্টফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারম্যান মোহামেদ চান্দ ওথমান জানান, সুদানে বিবাদমান দুই পক্ষ চরমভাবে দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, যার একেকটি আন্তর্জাতিক অপরাধের সমান। লিঙ্গ এবং বয়সভেদে চালানো হচ্ছে ভিন্নপন্থার নির্যাতন। যার প্রভাব থাকতে পারে কয়েক দশক পর্যন্ত।
শান্তিরক্ষা মিশনে দেশটিতে বিদ্যমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে সুদানের দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলেই কেবল এই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
মোহামেদ চান্দ ওথমান আরও জানান, দেশটিতে মানবাধিকার পুনরুদ্ধারে নিরপেক্ষ বাহিনী মোতায়েন করার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান ও সুপারিশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিবাদমান দুই পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে যুদ্ধাপরাধ বন্ধের জন্যও আহ্বান জানানো হচ্ছে।
জাতিসংঘ তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করেছে, আরএসএফ ও তাদের মিত্রবাহিনীগুলো সুদানে যৌন দাসী এবং শিশু সেনা নিয়োগের মতো অতিরিক্ত যুদ্ধাপরাধ করছে। চলমান সংঘাতে দেশটিতে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ।

সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধে বিবাদমান দুই পক্ষ দেশে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। চালানো হচ্ছে নির্যাতন এবং নির্বিচারের আটক করা হচ্ছে বেসামরিক নাগরিকদের। এ অবস্থায় সেখানে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ ও শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘ এ সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী (আরএসএফ) উভয় পক্ষই যুদ্ধাপরাধ করছে। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর চালানো হচ্ছে নির্যাতন এবং নির্বিচারে আটক করা হচ্ছে তাদের।
ফ্যাক্টফাইন্ডিং মিশনের চেয়ারম্যান মোহামেদ চান্দ ওথমান জানান, সুদানে বিবাদমান দুই পক্ষ চরমভাবে দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, যার একেকটি আন্তর্জাতিক অপরাধের সমান। লিঙ্গ এবং বয়সভেদে চালানো হচ্ছে ভিন্নপন্থার নির্যাতন। যার প্রভাব থাকতে পারে কয়েক দশক পর্যন্ত।
শান্তিরক্ষা মিশনে দেশটিতে বিদ্যমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে সুদানের দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলেই কেবল এই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
মোহামেদ চান্দ ওথমান আরও জানান, দেশটিতে মানবাধিকার পুনরুদ্ধারে নিরপেক্ষ বাহিনী মোতায়েন করার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোকে আহ্বান ও সুপারিশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিবাদমান দুই পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে যুদ্ধাপরাধ বন্ধের জন্যও আহ্বান জানানো হচ্ছে।
জাতিসংঘ তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করেছে, আরএসএফ ও তাদের মিত্রবাহিনীগুলো সুদানে যৌন দাসী এবং শিশু সেনা নিয়োগের মতো অতিরিক্ত যুদ্ধাপরাধ করছে। চলমান সংঘাতে দেশটিতে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ।
মাধ্যমে ঢাকার এটিবি ওভারসিজ লিমিটেডর এজেন্সির সহায়তায় তার মা সৌদি আরবে যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়োগকর্তার শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। দালাল ও সংশ্লিষ্টদের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া, প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।