বিডিজেন ডেস্ক
টয়লেটে ফোন নেয়া স্বাস্থ্য ও জীবাণুর সংক্রমণের দিক থেকে কিছু ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ঝুঁকিগুলো বিভিন্ন উপায়ে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। চলুন জেনেই নিই, টয়লেটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে কী ক্ষতি বয়ে আনে শরীরে-
ইউরিন ইনফেকশন
ইউটিআিই বা প্রস্রাবে সংক্রমণ নারীদের মধ্যে বেশি দেখা দেয়। এটি মারাত্মক এক ব্যাধি। পাবলিক ও অপরিষ্কার টয়লেট ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা বেশি হয়। মোবাইল নিয়ে বাথরুমে গেলে সেখান থেকেও আসতে পারে ইউটিআইয়ের জীবাণু। তাই সতর্ক হন।
পাইলস
টয়লেটে ফোন ব্যবহার করলে আপনার মনোযোগ বিভক্ত হতে পারে। অনেকেই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেইলে ডুবে থাকেন, যা দীর্ঘসময় বাথরুমে থাকার কারণ হতে পারে এবং এর ফলে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। যেমন, দীর্ঘসময় বসে থাকলে মলদ্বারে চাপ পড়তে পারে, যা পাইলসের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডায়রিয়া
টয়লেটে জীবাণু ফোনের মাধ্যমে খাদ্য বা হাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে পেটের অসুখ বা ডায়রিয়া হতে পারে। খাদ্যবাহিত রোগের জীবাণু যেমন ই. কোলাই বা নরোভাইরাস বাথরুমের ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেশি থাকে, যা ফোনের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
পেটের সমস্যা
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ ফোন নিয়ে পেটের সমস্যাও বাড়ে। এক্ষেত্রে জীবাণুর সংক্রমণ অবশ্যই একটা কারণ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
টয়লেটে মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে যে জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরে। নানা ধরনের সংক্রমণ ঘটাতে পারে এই জীবাণু। যদি কারও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় তাহলে এসব সংক্রমণ প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে।
ঘরে জীবাণু ছড়ায়
টয়লেটে ফোন নিয়ে গেলে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস মোবাইলে লেগে যায়। তারপর তা পুরো বাড়িতে ছড়াতে পারে। এক সময় এসব জীবাণু নাক-মুখ দিয়ে প্রবেশ করে শরীরে কঠিন ব্যাধির সৃষ্টি করতে পারে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
টয়লেটে ফোন নেয়া স্বাস্থ্য ও জীবাণুর সংক্রমণের দিক থেকে কিছু ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ঝুঁকিগুলো বিভিন্ন উপায়ে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। চলুন জেনেই নিই, টয়লেটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে কী ক্ষতি বয়ে আনে শরীরে-
ইউরিন ইনফেকশন
ইউটিআিই বা প্রস্রাবে সংক্রমণ নারীদের মধ্যে বেশি দেখা দেয়। এটি মারাত্মক এক ব্যাধি। পাবলিক ও অপরিষ্কার টয়লেট ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা বেশি হয়। মোবাইল নিয়ে বাথরুমে গেলে সেখান থেকেও আসতে পারে ইউটিআইয়ের জীবাণু। তাই সতর্ক হন।
পাইলস
টয়লেটে ফোন ব্যবহার করলে আপনার মনোযোগ বিভক্ত হতে পারে। অনেকেই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেইলে ডুবে থাকেন, যা দীর্ঘসময় বাথরুমে থাকার কারণ হতে পারে এবং এর ফলে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। যেমন, দীর্ঘসময় বসে থাকলে মলদ্বারে চাপ পড়তে পারে, যা পাইলসের ঝুঁকি বাড়ায়।
ডায়রিয়া
টয়লেটে জীবাণু ফোনের মাধ্যমে খাদ্য বা হাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে পেটের অসুখ বা ডায়রিয়া হতে পারে। খাদ্যবাহিত রোগের জীবাণু যেমন ই. কোলাই বা নরোভাইরাস বাথরুমের ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেশি থাকে, যা ফোনের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
পেটের সমস্যা
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ ফোন নিয়ে পেটের সমস্যাও বাড়ে। এক্ষেত্রে জীবাণুর সংক্রমণ অবশ্যই একটা কারণ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়
টয়লেটে মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে যে জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে শরীরে। নানা ধরনের সংক্রমণ ঘটাতে পারে এই জীবাণু। যদি কারও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয় তাহলে এসব সংক্রমণ প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে।
ঘরে জীবাণু ছড়ায়
টয়লেটে ফোন নিয়ে গেলে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস মোবাইলে লেগে যায়। তারপর তা পুরো বাড়িতে ছড়াতে পারে। এক সময় এসব জীবাণু নাক-মুখ দিয়ে প্রবেশ করে শরীরে কঠিন ব্যাধির সৃষ্টি করতে পারে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
৯ দিন আগে