বিডিজেন ডেস্ক
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে ৪৮ দেশের ৪৮টি দল। স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি খেলবে তিন স্বাগতিক কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র। অন্য ৪৫টি দেশের দলকে বেছে নেওয়া হবে বাছাইপর্ব থেকে। এর মধ্যে অনেক দেশের দল বাছাইপর্ব খেলে ২০২৬ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে। সর্বশেষ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের প্রথম দল হিসেবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে। দেখা যাক আর কোন কোন দেশ এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে।
ইউরোপ অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে খেলবে ১৬টি দল। আফ্রিকা থেকে ৯টি এবং এশিয়া থেকে ৮টি দল অংশ নেবে। দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ৬টি করে দল অংশগ্রহণ করবে। আর ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো সরাসরি খেলবে একটি দল। বাকি দুটি দল আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়েছে ৭টি দেশের।
কানাডা
তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে কানাডা। এবার স্বাগতিক দেশ হওয়ায় সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর এটি হতে যাচ্ছে তাদের টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। আলফন্সো ডেভিস, স্টিফেন ইউস্তাকিও এবং জোনাথন ডেভিডের মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে কানাডা এবার ঘরের মাঠে গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে খেলবে।
মেক্সিকো
১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের পর ২০২৬ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করছে মেক্সিকো। মেক্সিকো বিশ্বকাপে নিয়মিত। এটি তাদের ১৮তম বিশ্বকাপ। তবে দেশটি কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের ওপরে উঠতে পারেনি, এবার সেটাই করতে চাইবে।
যুক্তরাষ্ট্র
মেক্সিকো ও কানাডার মতোই স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ২০২৬ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেয়েছে। এটি হবে তাদের ১২তম বিশ্বকাপ। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ওয়েস্টন ম্যাকেনি এবং টেইলর অ্যাডামসের মতো তারকাদের নিয়ে তারা এবার আরও ভালো পারফর্ম করতে আত্মবিশ্বাসী দলটি।
জাপান
প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে জাপান। গত ২০ মার্চ এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে বাহরাইনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে পূর্ব এশিয়ার দেশটি। তিন স্বাগতিকের বাইরে জাপানই প্রথম দল, যারা বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। টানা সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে জাপান।
নিউজিল্যান্ড
ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে নিউজিল্যান্ড। আঞ্চলিক ফাইনালে নিউ ক্যালিডোনিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। এটি হবে তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ, আগের দুটি ছিল ১৯৮২ ও ২০১০ সালে।
ইরান
টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ইরান। ৩২ বছর বয়সী মেহেদি তারেমি দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং তিনি এবারও ইরানের আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন।
আর্জেন্টিনা
লিওনেল মেসির দল সুখবর পেয়েছে ব্রাজিল ম্যাচে মাঠে নামার আগে। ২৫ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বাছাইপর্বের অন্য ম্যাচে উরুগুয়েকে বলিভিয়া হারাতে না পারায় ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগেই বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত হয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দলের।
কোন অঞ্চল থেকে কোন দেশ বিশ্বকাপে যেতে পারে
ইউরোপ
এ মাসেই শুরু হয়েছে বাছাইপর্ব। ১৬টি স্থানের জন্য ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়ছে দেশগুলো। তবে মার্চে মাত্র ৬টি গ্রুপের খেলা শুরু হয়েছে। বাকি ছয় গ্রুপের খেলা শুরু হবে সেপ্টেম্বরে।
দক্ষিণ আমেরিকা
আর্জেন্টিনাসহ সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে প্রথম ৬টি দল। বাকি ৫টির লড়াইয়ে কাগজে–কলমে টিকে আছে সব দলই। তবে ইকুয়েডর, উরুগুয়ে, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও কলম্বিয়া সুবিধাজনক স্থানে আছে।
কনক্যাকাফ
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি জায়গা পাওয়ায় এখানের হিসাবটা ভিন্ন। কোস্টারিকা, জ্যামাইকা ও হন্ডুরাসের মতো দলগুলো বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার জন্য লড়াই করবে। তৃতীয় রাউন্ডে তিন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে। এখনো দ্বিতীয় রাউন্ডই শেষ হয়নি।
আফ্রিকা
৯ গ্রুপের শীর্ষ ৯টি দেশ বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে। ১০ ম্যাচের গ্রুপ পর্বের ৬টি করে ম্যাচ শেষে গ্রুপের শীর্ষে আছে মিসর, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেপ ভার্দে, মরক্কো, আইভরিকোস্ট, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া ও ঘানা।
এশিয়া
এখনো বাকি ৬টি দেশ। উজবেকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া সুবিধাজনক স্থানে রয়েছে। বাছাইপর্ব থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, ইরাক, ওমান, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ারও।
ওশেনিয়া
একটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে, যেটি পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। নিউ ক্যালেডোনিয়া আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে, যা ২০২৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে ৪৮ দেশের ৪৮টি দল। স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি খেলবে তিন স্বাগতিক কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র। অন্য ৪৫টি দেশের দলকে বেছে নেওয়া হবে বাছাইপর্ব থেকে। এর মধ্যে অনেক দেশের দল বাছাইপর্ব খেলে ২০২৬ বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে। সর্বশেষ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের প্রথম দল হিসেবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পেয়েছে। দেখা যাক আর কোন কোন দেশ এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে।
ইউরোপ অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে খেলবে ১৬টি দল। আফ্রিকা থেকে ৯টি এবং এশিয়া থেকে ৮টি দল অংশ নেবে। দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে অন্তত ৬টি করে দল অংশগ্রহণ করবে। আর ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে প্রথমবারের মতো সরাসরি খেলবে একটি দল। বাকি দুটি দল আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়েছে ৭টি দেশের।
কানাডা
তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে কানাডা। এবার স্বাগতিক দেশ হওয়ায় সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের পর এটি হতে যাচ্ছে তাদের টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। আলফন্সো ডেভিস, স্টিফেন ইউস্তাকিও এবং জোনাথন ডেভিডের মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে কানাডা এবার ঘরের মাঠে গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে খেলবে।
মেক্সিকো
১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের পর ২০২৬ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজন করছে মেক্সিকো। মেক্সিকো বিশ্বকাপে নিয়মিত। এটি তাদের ১৮তম বিশ্বকাপ। তবে দেশটি কখনো কোয়ার্টার ফাইনালের ওপরে উঠতে পারেনি, এবার সেটাই করতে চাইবে।
যুক্তরাষ্ট্র
মেক্সিকো ও কানাডার মতোই স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ২০২৬ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেয়েছে। এটি হবে তাদের ১২তম বিশ্বকাপ। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ওয়েস্টন ম্যাকেনি এবং টেইলর অ্যাডামসের মতো তারকাদের নিয়ে তারা এবার আরও ভালো পারফর্ম করতে আত্মবিশ্বাসী দলটি।
জাপান
প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে জাপান। গত ২০ মার্চ এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে বাহরাইনকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে পূর্ব এশিয়ার দেশটি। তিন স্বাগতিকের বাইরে জাপানই প্রথম দল, যারা বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। টানা সপ্তমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে জাপান।
নিউজিল্যান্ড
ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে নিউজিল্যান্ড। আঞ্চলিক ফাইনালে নিউ ক্যালিডোনিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। এটি হবে তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ, আগের দুটি ছিল ১৯৮২ ও ২০১০ সালে।
ইরান
টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ইরান। ৩২ বছর বয়সী মেহেদি তারেমি দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং তিনি এবারও ইরানের আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন।
আর্জেন্টিনা
লিওনেল মেসির দল সুখবর পেয়েছে ব্রাজিল ম্যাচে মাঠে নামার আগে। ২৫ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বাছাইপর্বের অন্য ম্যাচে উরুগুয়েকে বলিভিয়া হারাতে না পারায় ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগেই বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত হয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির দলের।
কোন অঞ্চল থেকে কোন দেশ বিশ্বকাপে যেতে পারে
ইউরোপ
এ মাসেই শুরু হয়েছে বাছাইপর্ব। ১৬টি স্থানের জন্য ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়ছে দেশগুলো। তবে মার্চে মাত্র ৬টি গ্রুপের খেলা শুরু হয়েছে। বাকি ছয় গ্রুপের খেলা শুরু হবে সেপ্টেম্বরে।
দক্ষিণ আমেরিকা
আর্জেন্টিনাসহ সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে প্রথম ৬টি দল। বাকি ৫টির লড়াইয়ে কাগজে–কলমে টিকে আছে সব দলই। তবে ইকুয়েডর, উরুগুয়ে, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও কলম্বিয়া সুবিধাজনক স্থানে আছে।
কনক্যাকাফ
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো স্বাগতিক হিসেবে সরাসরি জায়গা পাওয়ায় এখানের হিসাবটা ভিন্ন। কোস্টারিকা, জ্যামাইকা ও হন্ডুরাসের মতো দলগুলো বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার জন্য লড়াই করবে। তৃতীয় রাউন্ডে তিন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে। এখনো দ্বিতীয় রাউন্ডই শেষ হয়নি।
আফ্রিকা
৯ গ্রুপের শীর্ষ ৯টি দেশ বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে। ১০ ম্যাচের গ্রুপ পর্বের ৬টি করে ম্যাচ শেষে গ্রুপের শীর্ষে আছে মিসর, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেপ ভার্দে, মরক্কো, আইভরিকোস্ট, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া ও ঘানা।
এশিয়া
এখনো বাকি ৬টি দেশ। উজবেকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া সুবিধাজনক স্থানে রয়েছে। বাছাইপর্ব থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, ইরাক, ওমান, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ারও।
ওশেনিয়া
একটি দল সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে, যেটি পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। নিউ ক্যালেডোনিয়া আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে, যা ২০২৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত হবে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
গরম এলেই হু হু করে বাড়তে থাকে বিদ্যুৎ বিল। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা জরুরি। তবে জানেন কি, সহজ কিছু কৌশল অবলম্বন করলেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই, আসছে গ্রীষ্মে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন বিদ্যুৎ বিল।
পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরও অনেকেরই সকাল থেকে রাত অবধি হাই উঠতেই থাকে। তবে ঘন ঘন এই হাই তোলাও কিন্তু হৃদ্রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।
কিডনির সমস্যা বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরের দুটি কিডনির ৭০-৮০ ভাগ নষ্ট হওয়ার আগে কোনো ধরনের গুরুতর লক্ষণই দেখা দেয় না। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যার উপসর্গগুলো এতই মৃদু হয় যে, কিছু ক্ষেত্রে বুঝে ওঠাও সম্ভব হয় না। তবে কিডনি যে সুস্থ নেই, তার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সেই লক্ষণগুলো কী, তা
৬ দিন আগে