
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইনে ‘ডে নাইট জুয়েলারি’ নামে বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছে।
রোববার (১৬ মার্চ) আধুনিক ও আকর্ষণীয় অভিজাত ডিজাইনের বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বর্ণালংকারের বিপুল সমাহার নিয়ে আল আইন বাজারের প্যারিস গিফট প্যালেসের বিপরীত পার্শ্বে গোল্ড সুকে ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন উপলক্ষে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বর্ণালংকার কেনাকাটায় রাখা হয়েছে মেকিং চার্জের ওপর বিশেষ অফারসহ র্যাফেল ড্র এবং আকর্ষণীয় গিফটের ব্যবস্থা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির যৌথ স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মামুন, মোহাম্মদ জামাল, মুন্না, মুজিব, মাসুম, রিদোয়ান, আনন্দ বণিক, কায়সার ও তৌহিদ।

স্বত্বাধিকারীরা জানান, আরব আমিরাতে এটি তাদের পঞ্চম জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। এটি ছাড়াও আবুধাবি ও দুবাইতে তাদের আরও ৪টি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশির। এ ছাড়াও, আমিরাতের বিভিন্ন শহরে তাদের আরও নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার কথা বলেন মালিক পক্ষ।
স্থানীয় প্রবাসীদের তাদের প্রতিষ্ঠানে এসে প্রয়োজনীয় কেনাকাটার আমন্ত্রণ জানান তারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইনে ‘ডে নাইট জুয়েলারি’ নামে বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছে।
রোববার (১৬ মার্চ) আধুনিক ও আকর্ষণীয় অভিজাত ডিজাইনের বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বর্ণালংকারের বিপুল সমাহার নিয়ে আল আইন বাজারের প্যারিস গিফট প্যালেসের বিপরীত পার্শ্বে গোল্ড সুকে ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।

প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন উপলক্ষে নির্ধারিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বর্ণালংকার কেনাকাটায় রাখা হয়েছে মেকিং চার্জের ওপর বিশেষ অফারসহ র্যাফেল ড্র এবং আকর্ষণীয় গিফটের ব্যবস্থা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির যৌথ স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মামুন, মোহাম্মদ জামাল, মুন্না, মুজিব, মাসুম, রিদোয়ান, আনন্দ বণিক, কায়সার ও তৌহিদ।

স্বত্বাধিকারীরা জানান, আরব আমিরাতে এটি তাদের পঞ্চম জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। এটি ছাড়াও আবুধাবি ও দুবাইতে তাদের আরও ৪টি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশির। এ ছাড়াও, আমিরাতের বিভিন্ন শহরে তাদের আরও নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার কথা বলেন মালিক পক্ষ।
স্থানীয় প্রবাসীদের তাদের প্রতিষ্ঠানে এসে প্রয়োজনীয় কেনাকাটার আমন্ত্রণ জানান তারা।
সিডনির নতুন শোরুমে রয়েছে শাড়ি, সালওয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি ও জুয়েলারিসহ ঐতিহ্যবাহী থেকে সমকালীন সব ধরনের পোশাকের সমৃদ্ধ সংগ্রহ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশি ফ্যাশন, রঙ ও শিল্পের সৌন্দর্য তুলে ধরতে জ্যোতি অস্ট্রেলিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক নাজমুন নেসা পিয়ারিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
উদ্যোগটির লক্ষ্য, প্রবাসীদের মধ্যে কৃষি ও বাগানচর্চার আগ্রহ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পরিবেশে উপযোগী উদ্ভিদ সরবরাহের মাধ্যমে একটি টেকসই উদ্যানতাত্ত্বিক নেটওয়ার্ক তৈরি করা।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, শুরুটা ছোট পরিসরে হলেও তাদের লক্ষ্য খুব শিগগিরই ফ্যাশন হাউসের কার্যক্রমের পরিধি বাড়িয়ে পুরো অস্ট্রেলিয়াজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া। অনলাইন ও সরাসরি—দুই প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাবে তাদের বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন সংগ্রহ।