
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েত সফরকারী কোনো যাত্রীর বিমান টিকিট ও হোটেল রিজার্ভেশন বাতিল হলে অর্থ ফেরতের (রিফান্ড) বিষয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ পেলে কঠোর জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল (সিভিল এভিয়েশন) কর্তৃপক্ষ।
গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ তদন্ত প্রতিকার বিষয়ক কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে অভিযোগ ও সালিশি কমিটি অনধিক ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে টিকিট ও হোটেল সংরক্ষণের অর্থ ফেরত সংক্রান্ত ২০২৬ সালের সার্কুলারের ১২ নম্বর ধারা সংশ্লিষ্টদের সম্পূর্ণভাবে মেনে চলতে বলেছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য কঠোর শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষে হামাদ আল-আরাদা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন, চলতি বছরের ৬ষ্ঠ বৈঠকে কর্তৃপক্ষের জারি করা আইন, প্রবিধান, সিদ্ধান্ত ও সার্কুলার লঙ্ঘনকারীদের ওপর শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এগুলোর প্রয়োগে কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না এবং নিয়ম অমান্যকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ৫৫ দিন কুয়েত বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়। ২৬ এপ্রিল থেকে সল্পমাত্রায় বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় অনেকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি। অনেক কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ছুটিতে এসে আটকে পড়েন। বর্তমানে বিমান চলাচল সল্পমাত্রায় হওয়ার কারণে অনেক প্রবাসীর কুয়েত ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া, যে দুটি বিমান সংস্থা ঢাকা থেকে কুয়েতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে তাদের একক যাত্রার টিকিট উচ্চমূল্য হওয়ার কারণে প্রবাসীদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ অবস্থায় আটকে পড়া প্রবাসীরা, ঢাকা–কুয়েত রুটে দ্রুত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি ঢাকা–কুয়েত রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হলে টিকিটের দাম স্বাভাবিক হবে।

কুয়েত সফরকারী কোনো যাত্রীর বিমান টিকিট ও হোটেল রিজার্ভেশন বাতিল হলে অর্থ ফেরতের (রিফান্ড) বিষয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ পেলে কঠোর জরিমানা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল (সিভিল এভিয়েশন) কর্তৃপক্ষ।
গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ তদন্ত প্রতিকার বিষয়ক কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে অভিযোগ ও সালিশি কমিটি অনধিক ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে টিকিট ও হোটেল সংরক্ষণের অর্থ ফেরত সংক্রান্ত ২০২৬ সালের সার্কুলারের ১২ নম্বর ধারা সংশ্লিষ্টদের সম্পূর্ণভাবে মেনে চলতে বলেছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য কঠোর শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষে হামাদ আল-আরাদা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন, চলতি বছরের ৬ষ্ঠ বৈঠকে কর্তৃপক্ষের জারি করা আইন, প্রবিধান, সিদ্ধান্ত ও সার্কুলার লঙ্ঘনকারীদের ওপর শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এগুলোর প্রয়োগে কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না এবং নিয়ম অমান্যকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ৫৫ দিন কুয়েত বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়। ২৬ এপ্রিল থেকে সল্পমাত্রায় বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় অনেকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেননি। অনেক কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ছুটিতে এসে আটকে পড়েন। বর্তমানে বিমান চলাচল সল্পমাত্রায় হওয়ার কারণে অনেক প্রবাসীর কুয়েত ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া, যে দুটি বিমান সংস্থা ঢাকা থেকে কুয়েতে ফ্লাইট পরিচালনা করছে তাদের একক যাত্রার টিকিট উচ্চমূল্য হওয়ার কারণে প্রবাসীদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ অবস্থায় আটকে পড়া প্রবাসীরা, ঢাকা–কুয়েত রুটে দ্রুত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি ঢাকা–কুয়েত রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হলে টিকিটের দাম স্বাভাবিক হবে।
কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পক্ষে হামাদ আল-আরাদা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোর দিয়ে বলেন, রিফান্ড সংক্রান্ত আইন প্রয়োগে কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না এবং নিয়ম অমান্যকারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।
বিশ্বের অন্যতম বহুজাতিক নগরী নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত এই মেলায় অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লেখক, গবেষক ও প্রকাশকেরা সমবেত হন। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, বই উন্মোচন, সাহিত্য আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণের সূচনা হয়। মেলা প্রাঙ্গণে ছিল দেশীয় খাবার ও পোশাকের হরেক রকমের স্টল। বিদেশের মাটিতে দেশীয় আমেজ তৈরি করতে শিশুদের জন্য ছিল বিশেষ আয়োজন।
সৌদি উপমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটময় এই সময়ে বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য তার সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।