
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় কমিউনিটি নেতৃত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি আবদুল খান রতন। কালচারালপ্লাসের অ্যাম্বাসেডর নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে জানানো হয়, এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–এ তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও কমিউনিটি সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। এই টুর্নামেন্টটি এশিয়ায় নারী ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও রেকর্ড-ব্রেকিং আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

আয়োজকদের মতে, আবদুল খান রতনের নেতৃত্ব, সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম এবং কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা টুর্নামেন্টটিকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার এই প্রচেষ্টার ফলে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরি হয় এবং এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক সমাগম হওয়া নারী এশিয়ান কাপ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
গত ২১ মার্চ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। কালচারালপ্লাসের সিইও রে লাঘাভান স্বাক্ষরিত এই স্বীকৃতি কমিউনিটিতে তার অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এমন স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় কমিউনিটি নেতৃত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি আবদুল খান রতন। কালচারালপ্লাসের অ্যাম্বাসেডর নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে জানানো হয়, এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–এ তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও কমিউনিটি সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। এই টুর্নামেন্টটি এশিয়ায় নারী ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ও রেকর্ড-ব্রেকিং আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

আয়োজকদের মতে, আবদুল খান রতনের নেতৃত্ব, সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম এবং কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা টুর্নামেন্টটিকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার এই প্রচেষ্টার ফলে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরি হয় এবং এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক সমাগম হওয়া নারী এশিয়ান কাপ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
গত ২১ মার্চ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। কালচারালপ্লাসের সিইও রে লাঘাভান স্বাক্ষরিত এই স্বীকৃতি কমিউনিটিতে তার অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এমন স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে জানানো হয়, এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ অস্ট্রেলিয়া ২০২৬–এ তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও কমিউনিটি সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামন পেদ্রো বেরনাউস, ড. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন হক নেছাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা প্রবাসে ঐক্য, মানবিকতা ও সংগঠনের কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।