

বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) রাজ্যের সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের (বিএমএস, এনএসডব্লিউ) বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
সিডনির লিভারপুল ক্যাথলিক ক্লাবে সম্প্রতি এই বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে এক রঙিন রাতে সেজে উঠেছিল লিভারপুল ক্যাথলিক ক্লাব।
অতিথি ও বিএমএস পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এই মিলনমেলায় অংশ নেন, যেখানে পেশাদারত্বের পাশাপাশি ছিল উষ্ণ বন্ধুত্ব, সংস্কৃতির আলো আর স্বদেশের সুর।
অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন, সিডনিতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শেলি সালেহিন, লিভারপুলের স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যারিশমাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা এই উৎসবে যোগ দিয়ে বিএমএস পরিবারের সঙ্গে সন্ধ্যাটি উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে নিরলস অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া’–কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া, পুরস্কার পান সিডনির স্বনামধন্য চিকিৎসক ও পরামর্শক নেফ্রোলজিস্ট আহমেদ কাইথাল শাহির এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক আবদুল্লাহ জোবায়ের ও তামান্না পারভিন।
আহমেদ কাইথাল শাহিরকে সিডনির স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘ অবদান এবং বাংলাদেশি মেডিক্যাল স্নাতকদের প্রতি তার নিঃস্বার্থ পরামর্শদানের স্বীকৃতিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আবদুল্লাহ জোবায়ের বাংলাদেশে মানবিক কাজের জন্য এই পুরস্কারে ভূষিত হন। তামান্না পারভিন ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য মানুষের সেবা করেছেন। এ জন্য তাকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী লুইপা ও মেসবাহ বাপ্পী। তাদের সুরের মূর্ছনায় রাত ১১টা পর্যন্ত উৎসবমুখর ছিল অনুষ্ঠান।
সভাপতি মেহদি ফারহান জানিয়েছেন, আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশি মেডিক্যাল সোসাইটিজ অব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সভা ও সম্মেলন। সারা অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও তাদের পরিবারকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানাবে বিএমএস এনএসডব্লিউ।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএমএস, এনএসডব্লিউ এখন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি পেশাদার সংগঠন। এর সদস্যসংখ্যা ৫ শতাধিক। এ বছর সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পূর্ণ হলো। উপলক্ষটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রকাশিত হয়েছে বার্ষিক ম্যাগাজিন ‘প্রতিধ্বনি’র অষ্টম সংখ্যা।
এতে সংগঠনের সভাপতি মেহদি ফারহান লিখেছেন, বিএমএস এনএসডব্লিউয়ের মূল লক্ষ্য সব সময়ই নতুন আগত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত চিকিৎসক হওয়ার পথে সহযোগিতা করা। সংগঠনের অভিজ্ঞ শিক্ষা দল কাঠামোবদ্ধ শিক্ষা অধিবেশন, কর্মশালা, পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম এবং এএমসি প্রার্থীদের জন্য সাক্ষাৎকার প্রস্তুতির মাধ্যমে অমূল্য দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে।
মেহদি ফারহান আরও জানান, প্রতিবছর রেডক্রস অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় বিজয় দিবস উপলক্ষে রক্ত ও প্লাজমা দান এবং একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাতফেরির আয়োজন করে সংগঠনটি। তিনি কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে পরীক্ষার খরচে সংকটে পড়া চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন। করোনা মহামারির সময় বাংলাদেশের বাগেরহাট, নোয়াখালী, পাবনা, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও ও সিলেটের প্রত্যন্ত এলাকায় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এই সংগঠন। বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) রাজ্যের সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের (বিএমএস, এনএসডব্লিউ) বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
সিডনির লিভারপুল ক্যাথলিক ক্লাবে সম্প্রতি এই বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে এক রঙিন রাতে সেজে উঠেছিল লিভারপুল ক্যাথলিক ক্লাব।
অতিথি ও বিএমএস পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এই মিলনমেলায় অংশ নেন, যেখানে পেশাদারত্বের পাশাপাশি ছিল উষ্ণ বন্ধুত্ব, সংস্কৃতির আলো আর স্বদেশের সুর।
অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন, সিডনিতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শেলি সালেহিন, লিভারপুলের স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যারিশমাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা এই উৎসবে যোগ দিয়ে বিএমএস পরিবারের সঙ্গে সন্ধ্যাটি উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে নিরলস অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া’–কে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এ ছাড়া, পুরস্কার পান সিডনির স্বনামধন্য চিকিৎসক ও পরামর্শক নেফ্রোলজিস্ট আহমেদ কাইথাল শাহির এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক আবদুল্লাহ জোবায়ের ও তামান্না পারভিন।
আহমেদ কাইথাল শাহিরকে সিডনির স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘ অবদান এবং বাংলাদেশি মেডিক্যাল স্নাতকদের প্রতি তার নিঃস্বার্থ পরামর্শদানের স্বীকৃতিতে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আবদুল্লাহ জোবায়ের বাংলাদেশে মানবিক কাজের জন্য এই পুরস্কারে ভূষিত হন। তামান্না পারভিন ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য মানুষের সেবা করেছেন। এ জন্য তাকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী লুইপা ও মেসবাহ বাপ্পী। তাদের সুরের মূর্ছনায় রাত ১১টা পর্যন্ত উৎসবমুখর ছিল অনুষ্ঠান।
সভাপতি মেহদি ফারহান জানিয়েছেন, আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশি মেডিক্যাল সোসাইটিজ অব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সভা ও সম্মেলন। সারা অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও তাদের পরিবারকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানাবে বিএমএস এনএসডব্লিউ।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএমএস, এনএসডব্লিউ এখন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি পেশাদার সংগঠন। এর সদস্যসংখ্যা ৫ শতাধিক। এ বছর সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পূর্ণ হলো। উপলক্ষটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রকাশিত হয়েছে বার্ষিক ম্যাগাজিন ‘প্রতিধ্বনি’র অষ্টম সংখ্যা।
এতে সংগঠনের সভাপতি মেহদি ফারহান লিখেছেন, বিএমএস এনএসডব্লিউয়ের মূল লক্ষ্য সব সময়ই নতুন আগত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত চিকিৎসক হওয়ার পথে সহযোগিতা করা। সংগঠনের অভিজ্ঞ শিক্ষা দল কাঠামোবদ্ধ শিক্ষা অধিবেশন, কর্মশালা, পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম এবং এএমসি প্রার্থীদের জন্য সাক্ষাৎকার প্রস্তুতির মাধ্যমে অমূল্য দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে।
মেহদি ফারহান আরও জানান, প্রতিবছর রেডক্রস অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতায় বিজয় দিবস উপলক্ষে রক্ত ও প্লাজমা দান এবং একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাতফেরির আয়োজন করে সংগঠনটি। তিনি কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে পরীক্ষার খরচে সংকটে পড়া চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন। করোনা মহামারির সময় বাংলাদেশের বাগেরহাট, নোয়াখালী, পাবনা, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও ও সিলেটের প্রত্যন্ত এলাকায় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এই সংগঠন। বিজ্ঞপ্তি
অতিথি ও বিএমএস পরিবারসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এই মিলনমেলায় অংশ নেন, যেখানে পেশাদারত্বের পাশাপাশি ছিল উষ্ণ বন্ধুত্ব, সংস্কৃতির আলো আর স্বদেশের সুর।
কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ড্রোন হামলায় আহতদের চিকিৎসার জন্য সেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় নাগরিক ও অন্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসেন।
অনুষ্ঠানে একক ও দ্বৈত পরিবেশনায় ছিল নৃত্য আর সংগীতের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। লুবনা আলম তার অসাধারণ গায়কীতে নজরুলগীতি ‘মধুর নুপুর বাজে’ পরিবেশন করে শ্রোতাদের জাগতিক মোহ থেকে মুক্ত করে এক চিরন্তন সুন্দরের পানে নিয়ে যান।
এবারের আয়োজনটি উৎসর্গ করা হয়েছে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও তাদের পরিবারগুলোর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা জানিয়ে এবং অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত সকল নিবেদিত প্রাণ মানুষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। এ ছাড়াও, নতুন কিছু সংযোজন অনুষ্ঠাটিকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।