
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে উৎসাহিত করতে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসন্ত উৎসব।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব ইউএইর উদ্যোগে দুবাইয়ের মুশরিফ পার্কে এই উৎসব আয়োজন করা হয়।
আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে সপরিবারে বাসন্তি সাজের নানা রকম পোশাক পরিহিক অসংখ্য পরিবারের উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত হয় বাংলাদেশিদের এক ব্যতিক্রমী মিলন মেলায়। তাদের সাজ নজর কাড়ে পার্কে আসা বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের।
দিনব্যাপী আয়োজিত উৎসবে ছিল বিভিন্ন বয়সীদের জন্য খেলাধূলা, আইস ডান্স, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, বসন্ত সাজ প্রতিযোগিতা, নারীদের মুখে পানি নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা।
লেডিস ক্লাব ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা লিজা হোসেনের সভাপতিত্বে ও টিম লিডার রোমানা বর্নির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের উপদেষ্টা ইয়াসমিন মেরোনা, সিআইপি জেসমিন আক্তার, লাবণ্য আদিল, রোমানা আক্তার, ফারহানা নেছার খান, শরিফা সৈনিক, ফাতেমা আহাদ প্রমুখ।
আয়োজনে ছিলেন ক্লাবের সভাপতি লাবণ্য আদিল, সহসভাপতি সাদিয়া আফছার, সহসভাপতি নিশাত জাহান চৌধুরী নিশু, কোঅর্ডিনেটর শারমিন রাঁখি, তাকিয়া সুলতানা, সাহিদা আফরিন সেজুতি, টিম লিডার মহসিনা সুলতানা তানিয়া, ইশিকা পারভিন, ঈশিকা মাজহার, কামরুন নাহার, নাসরিন আক্তার প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন খেলাধুলা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে উৎসাহিত করতে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বসন্ত উৎসব।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব ইউএইর উদ্যোগে দুবাইয়ের মুশরিফ পার্কে এই উৎসব আয়োজন করা হয়।
আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে সপরিবারে বাসন্তি সাজের নানা রকম পোশাক পরিহিক অসংখ্য পরিবারের উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত হয় বাংলাদেশিদের এক ব্যতিক্রমী মিলন মেলায়। তাদের সাজ নজর কাড়ে পার্কে আসা বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের।
দিনব্যাপী আয়োজিত উৎসবে ছিল বিভিন্ন বয়সীদের জন্য খেলাধূলা, আইস ডান্স, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, বসন্ত সাজ প্রতিযোগিতা, নারীদের মুখে পানি নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা।
লেডিস ক্লাব ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা লিজা হোসেনের সভাপতিত্বে ও টিম লিডার রোমানা বর্নির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের উপদেষ্টা ইয়াসমিন মেরোনা, সিআইপি জেসমিন আক্তার, লাবণ্য আদিল, রোমানা আক্তার, ফারহানা নেছার খান, শরিফা সৈনিক, ফাতেমা আহাদ প্রমুখ।
আয়োজনে ছিলেন ক্লাবের সভাপতি লাবণ্য আদিল, সহসভাপতি সাদিয়া আফছার, সহসভাপতি নিশাত জাহান চৌধুরী নিশু, কোঅর্ডিনেটর শারমিন রাঁখি, তাকিয়া সুলতানা, সাহিদা আফরিন সেজুতি, টিম লিডার মহসিনা সুলতানা তানিয়া, ইশিকা পারভিন, ঈশিকা মাজহার, কামরুন নাহার, নাসরিন আক্তার প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন খেলাধুলা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রকাশনা সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান অপূর্ব শর্মা বলেন, আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাগুলো কেবল বই বিক্রির পরিসর নয়; বরং এগুলো প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।
বাংলাদেশে ক্যানসারের ক্রমবর্ধমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরে এম এ মুহিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
সভার মূল প্রতিপাদ্য হলো বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং চুরি হওয়া সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা। ইউনেসকোর ১৯৭০ কনভেনশনের আওতায় সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবে।