
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) ও ইয়ুথ হাব, মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) কুয়ালালুমপুরে অবস্থিত ইয়ুথ হাবের মালয়েশিয়া কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।
সমঝোতা চুক্তিতে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্কের পক্ষে সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল এবং ইয়ুথ হাবের পক্ষে সহ প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করবে। বিশেষ করে সফট স্কিলস, STEAM Education, IoT এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করবে।
চুক্তির অংশ হিসেবে কোডিং-এর মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো, শিক্ষার্থীদের স্কুলজীবন থেকেই কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং প্রোগ্রামিং দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, কর্মশালা, শিক্ষা ও সনদ প্রদান কার্যক্রম এবং শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যাকাথন আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) একটি বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা লক্ষভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে যুবদের ক্ষমতায়নে কাজ করে। অপর দিকে, ইয়ুথ হাব একটি বৈশ্বিক যুবনেতৃত্বাধীন সংগঠন, যা প্রযুক্তি শিক্ষা, ওয়েলনেস, জেন্ডার সমতা, সামাজিক উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) ও ইয়ুথ হাব, মালয়েশিয়ার মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) কুয়ালালুমপুরে অবস্থিত ইয়ুথ হাবের মালয়েশিয়া কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।
সমঝোতা চুক্তিতে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্কের পক্ষে সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল এবং ইয়ুথ হাবের পক্ষে সহ প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করবে। বিশেষ করে সফট স্কিলস, STEAM Education, IoT এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করবে।
চুক্তির অংশ হিসেবে কোডিং-এর মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো, শিক্ষার্থীদের স্কুলজীবন থেকেই কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং প্রোগ্রামিং দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, কর্মশালা, শিক্ষা ও সনদ প্রদান কার্যক্রম এবং শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যাকাথন আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) একটি বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা লক্ষভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে যুবদের ক্ষমতায়নে কাজ করে। অপর দিকে, ইয়ুথ হাব একটি বৈশ্বিক যুবনেতৃত্বাধীন সংগঠন, যা প্রযুক্তি শিক্ষা, ওয়েলনেস, জেন্ডার সমতা, সামাজিক উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আমেরিকান সাহিত্যিক হিসেবে শরিফুল আলম তার লেখনীর মাধ্যমে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন তৈরি করছেন।
সাক্ষাৎকালে সৌদি উপমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি এও বলেন যে, বাংলাদেশি শ্রমিকেরা সৌদি আরবের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা জানান, আপথিঙ্ক এডুকেশন মূলত একদল এইচএসসি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। তারা নিজেদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত বিকাশে সহায়তা করতে চান।
আলোচনায় বক্তারা, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বীর যোদ্ধাদের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।