
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আবুধাবির সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টে জাতীয়তাবাদী ফোরাম আবুধাবির উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ইউএই শাখার আহ্বায়ক ও বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন রুবেলের সঞ্চালোয় খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও জাতীয় অবদানের কথা স্মরণ করে বক্তব্য দেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ এস এম দিদারুল আলম, সদস্য নুর হোসেন সুমন, আবুল বশর সিআইপি, আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল, ফটিকছড়ি জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ ভুঁইয়া।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজসেবক ও সন্দ্বীপ জাতীয়তাবাদী ফোরামের অন্যতম নেতা ওমর ফারুক, দেলোয়ার হোসেন, এস এম সাইফুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন রিপন।
উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দীন রাশেদ, মোহাম্মদ মহসীন, আর এস ইব্রাহীম, জাফর উদ্দীন যুবরাজ, মনিরুল ইসলাম স্বপন, ইকরাম উদ্দীন সোহেল ,আবুল কাশেম, মো. রাসেদ, মো. নাঈম, মো. আজিজ, এরশাদ উল্লাহ, মো. নাহিদ রাজ, আশ্রাফ উদ্দীন, মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ সমির ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
হাফেজ মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আবুধাবির সেন্ড মেরিন রেস্টুরেন্টে জাতীয়তাবাদী ফোরাম আবুধাবির উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ইউএই শাখার আহ্বায়ক ও বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন রুবেলের সঞ্চালোয় খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও জাতীয় অবদানের কথা স্মরণ করে বক্তব্য দেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আলহাজ এস এম দিদারুল আলম, সদস্য নুর হোসেন সুমন, আবুল বশর সিআইপি, আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল, ফটিকছড়ি জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ ভুঁইয়া।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমাজসেবক ও সন্দ্বীপ জাতীয়তাবাদী ফোরামের অন্যতম নেতা ওমর ফারুক, দেলোয়ার হোসেন, এস এম সাইফুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন রিপন।
উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দীন রাশেদ, মোহাম্মদ মহসীন, আর এস ইব্রাহীম, জাফর উদ্দীন যুবরাজ, মনিরুল ইসলাম স্বপন, ইকরাম উদ্দীন সোহেল ,আবুল কাশেম, মো. রাসেদ, মো. নাঈম, মো. আজিজ, এরশাদ উল্লাহ, মো. নাহিদ রাজ, আশ্রাফ উদ্দীন, মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ সমির ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
হাফেজ মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে