
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনির মিন্টো এলাকায় নতুন শিক্ষামূলক উদ্যোগ আপথিঙ্ক এডুকেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৪টা পর্যন্ত মিন্টোর ৪/২ এরিকা লেনে আয়োজিত প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনী ও যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে স্থানীয় কমিউনিটির সদস্য, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে আপথিঙ্ক এডুকেশনের পরিচালক আশিক ইকবালের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহীম খলিল মাসুদ ও অ্যাশ রহমান এবং জনপ্রিয় সিনিয়র ম্যাথ টিউটর শামীম হক।
আয়োজকেরা জানান, আপথিঙ্ক এডুকেশন মূলত একদল এইচএসসি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। তারা নিজেদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত বিকাশে সহায়তা করতে চান। প্রতিটি টিউটর তাদের নিজ নিজ বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা অর্জনে সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের জন্য হালকা আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল এবং উপস্থিতিদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এমন একটি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, এটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজক আশিক ইকবাল সকলের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে কমিউনিটির সঙ্গে মিলেই এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনির মিন্টো এলাকায় নতুন শিক্ষামূলক উদ্যোগ আপথিঙ্ক এডুকেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৪টা পর্যন্ত মিন্টোর ৪/২ এরিকা লেনে আয়োজিত প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনী ও যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে স্থানীয় কমিউনিটির সদস্য, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে আপথিঙ্ক এডুকেশনের পরিচালক আশিক ইকবালের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহীম খলিল মাসুদ ও অ্যাশ রহমান এবং জনপ্রিয় সিনিয়র ম্যাথ টিউটর শামীম হক।
আয়োজকেরা জানান, আপথিঙ্ক এডুকেশন মূলত একদল এইচএসসি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। তারা নিজেদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত বিকাশে সহায়তা করতে চান। প্রতিটি টিউটর তাদের নিজ নিজ বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা অর্জনে সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের জন্য হালকা আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল এবং উপস্থিতিদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এমন একটি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, এটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজক আশিক ইকবাল সকলের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে কমিউনিটির সঙ্গে মিলেই এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে