
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় এসে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ততার মাঝেও প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও অঙ্গসংগঠনের মালয়েশিয়া শাখা।
গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরে আমপাংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে এই সন্তুষ্টির কথা জানান মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান বলেন, "আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া আসবেন শুনে আমরা চিন্তা করলাম, আমরা যারা মালয়েশিয়ায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত আমাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর দেখা হবে না, কথা হবে না এটাতো হবে পারে না। আমরা চেষ্টা করলাম একটা মতবিনিময় সভা আয়োজনের। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের একেবারে শেষ দিকে এসে আমরা একটা সভার আয়োজনের অনুমতি পেলাম। আমাদের ধারণা ছিল প্রধানমন্ত্রী ২১ তারিখে রাতে মালয়েশিয়ায় এসে হোটেলে পৌঁছে প্রবাসীদের মতবিনিময় সভায় আসবেন, ৫–১০ মিনিট কথা বলে চলে যাবেন। কিন্তু না, আমাদের অবাক করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাত ১১টায় প্রবাসীদের মতবিনিময় সভায় আসেন, এসেই বক্তব্য শুরু করে এক ঘন্টার বেশি সময় তিনি টানা বক্তব্য রেখেছেন। প্রবাসীদের তার দেশ গড়ার স্বপ্নের কথ শুনিয়েছেন। তার পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন। ইতিমধ্যে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তিনি প্রবাসীদের সাথে শেয়ার করেছেন। তিনি প্রবাসীদের দুই প্রধান দাবি অবৈধ প্রবাসীদের বৈধতা দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন। কলিং ভিসা খুলে দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার উম্মুক্ত করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে আলোচনা করেছেন।”
বাদলুর রহমান খান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মাত্র ১৮ ঘন্টার সফরে আমাদেরকে দীর্ঘ এক ঘন্টার বেশি সময় দেওয়ায় আমরা ভীষণ আনন্দিত। প্রবাসীরাও খুবই খুশি, কাছ থেকে প্রিয় নেতার বক্তব্য শুনতে পেরে। আমরা মালয়েশিয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।"

অবৈধদের বৈধতা ও শ্রমবাজার কখন খুলতে পারে, সাংবাদিকদের এই দুই প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ বলেন, "অবৈধদের বৈধতা ও কলিং ভিসা বা শ্রমবাজার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছেন। এ দুটি বিষয়ে আপাতত আমাদের কথা বলায় সীমাবদ্ধতা আছে। প্রধানমন্ত্রী চীন সফর শেষে দেশে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।"
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে মাহবুব আলম শাহ বলেন, "মুক্তবাণিজ্য চুক্তি হলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আরও বেশি পণ্য আসবে। ফলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যে যে বাণিজ্য ঘাটতি আছে সেটা কেটে যাবে। এতে বাংলাদেশ সুফল পাবে।"
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় আসেন। তিনি সেদিন রাত ১০টায় কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাং এলাকায় অবস্থিত হোটেল সাংগ্রিলায় পৌঁছান। পরে রাত ১১টায় প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

পরদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, হালাল শিল্প, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনশক্তি রপ্তানি এবং মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এসব আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাস্তব সুফল লাভ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহসভাপতি তালহা মাহমুদ, মো. শাখাওয়াত হোসেন, আব্দুল জলিল লিটন, ড. এস এম রহমান তনু, এম জে আলম, সহসাধারণ সম্পাদক ড. ওয়ালিউল্লাহ জাহিদ, মোয়াজ্জেম হোসেন নিপু, কাজী সালাহ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান রতন তালুকদার, সদস্য সচিব হেলাল শিকদার, যুবদলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী এবং মঞ্জ খা, জাসাস মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় এসে রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ততার মাঝেও প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও অঙ্গসংগঠনের মালয়েশিয়া শাখা।
গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুরে আমপাংয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে এই সন্তুষ্টির কথা জানান মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খান বলেন, "আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া আসবেন শুনে আমরা চিন্তা করলাম, আমরা যারা মালয়েশিয়ায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত আমাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর দেখা হবে না, কথা হবে না এটাতো হবে পারে না। আমরা চেষ্টা করলাম একটা মতবিনিময় সভা আয়োজনের। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের একেবারে শেষ দিকে এসে আমরা একটা সভার আয়োজনের অনুমতি পেলাম। আমাদের ধারণা ছিল প্রধানমন্ত্রী ২১ তারিখে রাতে মালয়েশিয়ায় এসে হোটেলে পৌঁছে প্রবাসীদের মতবিনিময় সভায় আসবেন, ৫–১০ মিনিট কথা বলে চলে যাবেন। কিন্তু না, আমাদের অবাক করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাত ১১টায় প্রবাসীদের মতবিনিময় সভায় আসেন, এসেই বক্তব্য শুরু করে এক ঘন্টার বেশি সময় তিনি টানা বক্তব্য রেখেছেন। প্রবাসীদের তার দেশ গড়ার স্বপ্নের কথ শুনিয়েছেন। তার পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন। ইতিমধ্যে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা তিনি প্রবাসীদের সাথে শেয়ার করেছেন। তিনি প্রবাসীদের দুই প্রধান দাবি অবৈধ প্রবাসীদের বৈধতা দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়া সরকারের কাছে অনুরোধ করেছেন। কলিং ভিসা খুলে দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার উম্মুক্ত করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে আলোচনা করেছেন।”
বাদলুর রহমান খান বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মাত্র ১৮ ঘন্টার সফরে আমাদেরকে দীর্ঘ এক ঘন্টার বেশি সময় দেওয়ায় আমরা ভীষণ আনন্দিত। প্রবাসীরাও খুবই খুশি, কাছ থেকে প্রিয় নেতার বক্তব্য শুনতে পেরে। আমরা মালয়েশিয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।"

অবৈধদের বৈধতা ও শ্রমবাজার কখন খুলতে পারে, সাংবাদিকদের এই দুই প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ বলেন, "অবৈধদের বৈধতা ও কলিং ভিসা বা শ্রমবাজার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছেন। এ দুটি বিষয়ে আপাতত আমাদের কথা বলায় সীমাবদ্ধতা আছে। প্রধানমন্ত্রী চীন সফর শেষে দেশে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।"
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে মাহবুব আলম শাহ বলেন, "মুক্তবাণিজ্য চুক্তি হলে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আরও বেশি পণ্য আসবে। ফলে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যে যে বাণিজ্য ঘাটতি আছে সেটা কেটে যাবে। এতে বাংলাদেশ সুফল পাবে।"
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় আসেন। তিনি সেদিন রাত ১০টায় কুয়ালালামপুর বুকিত বিনতাং এলাকায় অবস্থিত হোটেল সাংগ্রিলায় পৌঁছান। পরে রাত ১১টায় প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

পরদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, হালাল শিল্প, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়, জনশক্তি রপ্তানি এবং মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এসব আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাস্তব সুফল লাভ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহসভাপতি তালহা মাহমুদ, মো. শাখাওয়াত হোসেন, আব্দুল জলিল লিটন, ড. এস এম রহমান তনু, এম জে আলম, সহসাধারণ সম্পাদক ড. ওয়ালিউল্লাহ জাহিদ, মোয়াজ্জেম হোসেন নিপু, কাজী সালাহ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি হাবিবুর রহমান রতন তালুকদার, সদস্য সচিব হেলাল শিকদার, যুবদলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী এবং মঞ্জ খা, জাসাস মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজী নজরুল ইসলামের প্রপৌত্রী নূপুর কাজী। তার হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠ ও আবেগময় পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় সফরের কর্মসূচির মধ্যেও প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বৃহত্তর যশোর জেলা কল্যাণ সমিতির নেতারা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।