
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে দেশটি বসবাসরত বাংলাদেশি ছাত্র-শিক্ষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (৪ মার্চ) কুয়ালালামপুরের পাক পাঞ্জাব রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মো. আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন সিদ্দিকী সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের শিক্ষা সম্পাদক আল আমিন।
নাইজেরিয়ান শিক্ষার্থী কোরআনের হাফেজ সাবের আহমেদের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
ইফতার মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক বক্তা মাওলানা শায়খ আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী। তিনি তার বক্তব্যে রমজান মাসের তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবকল্যাণে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, দাতো সিরায়াক, ড. শরিফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হাসান, রমজান আলী, জাকারিয়া ফারুকী প্রমুখ।
এ ছাড়া, মালয়েশিয়ার ২০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কুয়ালালামপুরপ্রবাসী কর্মীরা ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। তাদের উপস্থিতি আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রবাসে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ এবং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিএসওএমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠনমূলক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শায়খ আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন সংগঠন হিসেবে বিএসওএম এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে দেশটি বসবাসরত বাংলাদেশি ছাত্র-শিক্ষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার (বিএসওএম) উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার (৪ মার্চ) কুয়ালালামপুরের পাক পাঞ্জাব রেস্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মো. আসাদুল্লাহ আল গালীব রাব্বির সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন সিদ্দিকী সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের শিক্ষা সম্পাদক আল আমিন।
নাইজেরিয়ান শিক্ষার্থী কোরআনের হাফেজ সাবের আহমেদের কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
ইফতার মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক বক্তা মাওলানা শায়খ আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী। তিনি তার বক্তব্যে রমজান মাসের তাৎপর্য, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবকল্যাণে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, দাতো সিরায়াক, ড. শরিফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হাসান, রমজান আলী, জাকারিয়া ফারুকী প্রমুখ।
এ ছাড়া, মালয়েশিয়ার ২০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কুয়ালালামপুরপ্রবাসী কর্মীরা ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। তাদের উপস্থিতি আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে প্রবাসে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ এবং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিএসওএমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গঠনমূলক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শায়খ আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন সংগঠন হিসেবে বিএসওএম এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।