
রফিকুল ইসলাম, রিয়াদ, সৌদি আরব
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকালে দূতাবাস চত্বরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন।

এরপর দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রদূত। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা এসময় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে যে সব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র শ্রমিক জনতার আন্দোলনে নিহত সকল শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রের জন্ম ও এই রাষ্ট্রের অগ্রগতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তার জন্য রাষ্ট্রদূত তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির মোফাজ্জল হোসেন স্বপন, সোহাইল উল্লাহ, সিদ্দিকুর রহমান ইমরান এবং ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকালে দূতাবাস চত্বরে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন।

এরপর দূতাবাসে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রদূত। এসময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা এসময় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে যে সব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র শ্রমিক জনতার আন্দোলনে নিহত সকল শহীদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রের জন্ম ও এই রাষ্ট্রের অগ্রগতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তার জন্য রাষ্ট্রদূত তাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্য এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। দূতাবাসের কাউন্সেলর মো. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির মোফাজ্জল হোসেন স্বপন, সোহাইল উল্লাহ, সিদ্দিকুর রহমান ইমরান এবং ডা. গোলাম হাসনাইন সোহান।

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়।
কনসার্টের প্রথম পর্বে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা নিজের পছন্দের তালিকা থেকে একের পর এক রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। প্রতিটি গানের আগে তিনি সংক্ষেপে গানটির প্রেক্ষাপট ও রবীন্দ্রনাথের ভাবনা তুলে ধরেন, যা দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীর সংযোগকে আরও গভীর করে তোলে।
লুৎফুর রহমান ৩৫ হাজার ৬৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৪৫৪ ভোট। গ্রিন পার্টির হিরা খান পেয়েছেন ১৯ হাজার ২২৩ ভোট।
রানা রহমান পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী ছিলেন। ১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। একই ওয়ার্ডে গ্রিন পার্টির আরও দুই প্রার্থী শীর্ষ তিনে অবস্থান করায় এটিকে দলটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।