
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে শোক সভা, খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আয়োজন করে বিএনপির আবুধাবি শাখা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) আবুধাবির সেন্ডমেরিন রেস্টুরেন্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ইউএই শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য ও আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, আরিফ উদ্দিন ও ইলিয়াছ ভূইঁয়ার যৌথ সঞ্চালনায় এতে শোক প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুর হোসেন সুমন, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম টিপু, আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবুল বশর সিআইপি, সাবেক অর্থ সম্পাদক মীর নাসির, সদস্য হেলাল উদ্দিন, মাজেদ হোসেন ও আনিছুর রহমান প্রমুখ।

শোক প্রকাশ করে বক্তারা শহিদ জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার আদর্শকে অনুসরণ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন একটি শক্তিশালী সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নুরুল হক নুরু, বাদশা মিয়া, নুরুল হুদা হুদন, আবু তাহের, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, তারেক আহমেদ, মহিউদ্দিন, মজিবুল হক, আনোয়ার হোসেন শুভ, সোহাগ, বখতিয়ার ও কামালসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীবৃন্দ।
সভা শেষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে শোক সভা, খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আয়োজন করে বিএনপির আবুধাবি শাখা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) আবুধাবির সেন্ডমেরিন রেস্টুরেন্টের হল রুমে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ইউএই শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য ও আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার।
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, আরিফ উদ্দিন ও ইলিয়াছ ভূইঁয়ার যৌথ সঞ্চালনায় এতে শোক প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুর হোসেন সুমন, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম টিপু, আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবুল বশর সিআইপি, সাবেক অর্থ সম্পাদক মীর নাসির, সদস্য হেলাল উদ্দিন, মাজেদ হোসেন ও আনিছুর রহমান প্রমুখ।

শোক প্রকাশ করে বক্তারা শহিদ জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার আদর্শকে অনুসরণ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন একটি শক্তিশালী সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নুরুল হক নুরু, বাদশা মিয়া, নুরুল হুদা হুদন, আবু তাহের, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, তারেক আহমেদ, মহিউদ্দিন, মজিবুল হক, আনোয়ার হোসেন শুভ, সোহাগ, বখতিয়ার ও কামালসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীবৃন্দ।
সভা শেষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে