logo
সুপ্রবাস

রিয়াদে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১১ এপ্রিল ২০২৫
Copied!
রিয়াদে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনা

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবর্ধনার আয়োজন করে। বুধবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টারে অবস্থিত কালচারাল সেন্টারে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিয়াদের ডেপুটি গর্ভনর ড. ফয়সাল বিন আব্দুল আজিজ আল সুদাইরী।

06

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রটোকল বিভাগের ডেপুটি মিনিস্টার আব্দুল মাজিদ বিন রাশিদ আল সামারী, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার (কোম্পানিজ অ্যাণ্ড রিজারভেশন অ্যাফেয়ার্স) ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলখরাসি, সৌদি আরবের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চেম্বার প্রতিনিধি, রিয়াদের বিভিন্ন মিশনের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকেরা সংবর্ধনায় যোগদান করেন। এ ছাড়া, বাংলাদেশ কমিউনিটির চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার শতাধিক অভিবাসীও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

03

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৩০ লাখ শহীদ, বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সমর্থন প্রদানকারী সকল ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়াও রাষ্ট্রদূত মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বজুড়ে বিদেশী বন্ধুদের অমূল্য সমর্থন এবং সংহতি গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

01

রাষ্ট্রদূত বলেন, মহান স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ স্বপ্ন বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশের পরিশ্রমী জনগণ একটি দরিদ্র দেশকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির একটিতে রূপান্তরিত করেছে। তিনি বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল বেসরকারি খাত, দক্ষ জনশক্তি এবং একটি বিশাল বাজারের জন্য বিনিয়োগের উপযুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশ একটি আদর্শ স্থান। বর্তমান সরকার সামগ্রিক অর্থনীতি এবং উন্মুক্ত প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে একাধিক সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

04

রাষ্ট্রদূত সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের জন্য সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এই বছর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের সম্পর্ক আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ঐতিহাসিক এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ভিত্তি করে আগামী দিনে ব্যবসা, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, মানবসম্পদ, পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতে এই সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

05

আয়োজনে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের নিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন কেক কাটেন।

এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে রিয়াদের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোমুগ্ধকর দলীয় নৃত্য এবং বাংলাদেশি কারুপণ্য নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিদেশি অতিথিরা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বাংলাদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা দিবস এ বছর পবিত্র রমজান মাসে হওয়ায় গতকাল এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

আরও দেখুন

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

জেদ্দায় প্রবাসীদের সঙ্গে পুলিশের ডিআইজি ইকবালের মতবিনিময়

মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১১ জুলাই ২০২৬

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

ওআইসির নারীবিষয়ক সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।

১১ জুলাই ২০২৬

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

ডালাসে হুমায়ূন আহমেদের ‘জ্বীন কফিল’ মঞ্চায়ন, দর্শকদের ব্যাপক সাড়া

ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।

০৫ জুলাই ২০২৬

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

আঙ্কারায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে পরামর্শমূলক বৈঠক

পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।

০৪ জুলাই ২০২৬