
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবুধাবিতে সমিতির প্রধান কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী মা থেকে রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ, আগ্রাসী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠা, তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়া খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় জীবনে নিসন্দেহে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয় হয়ে বেঁচে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, তার সততা, ন্যায় নীতি ও আদর্শ আমাদের সবাইকে অনুসরণ করা উচিত।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ আবুল বশর সিআইপি।

শোক প্রকাশ করে বক্তব্য দেন সমিতির সহ সভাপতি নুর মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন খান ও সাখাওত হোসেন বকুল।
শোক সভায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, প্রকৌশলী লুৎফর রহমান সুমন, বিএনপির ইউএই শাখার নেতা আমিনুল ইসলাম টিপু, ইকবাল হোসেন, মীর নাসির উদ্দিন, সাগর হোসেন সাগর, গাজী সেলিম, সেলিম উল্লাহ, ইলিয়াস ভূঁইয়া, আবু তাহের, জিয়া উদ্দিন বাবলু, ফারুক আফসারি, হেলাল উদ্দিন, নুরুল হক নুর, আরিফ উদ্দিন, নেছারুল হক, ইব্রাহীম, আনিসুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আলম, রিদোয়ান, খোরশেদ এবং সমিতির সদস্যবৃন্দসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় শাখার বহু নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মাওলানা ইয়াকুব আল কাদেরীর পরিচালনায় মিলাদ কিয়াম ও মাওলানা মোহাম্মদ আলমগীর আল কাদেরীর পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও শহিদ জিয়াউর রহমানের বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল ও শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবুধাবিতে সমিতির প্রধান কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী মা থেকে রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ, আগ্রাসী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠা, তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়া খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় জীবনে নিসন্দেহে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয় হয়ে বেঁচে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, তার সততা, ন্যায় নীতি ও আদর্শ আমাদের সবাইকে অনুসরণ করা উচিত।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ আবুল বশর সিআইপি।

শোক প্রকাশ করে বক্তব্য দেন সমিতির সহ সভাপতি নুর মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন খান ও সাখাওত হোসেন বকুল।
শোক সভায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, প্রকৌশলী লুৎফর রহমান সুমন, বিএনপির ইউএই শাখার নেতা আমিনুল ইসলাম টিপু, ইকবাল হোসেন, মীর নাসির উদ্দিন, সাগর হোসেন সাগর, গাজী সেলিম, সেলিম উল্লাহ, ইলিয়াস ভূঁইয়া, আবু তাহের, জিয়া উদ্দিন বাবলু, ফারুক আফসারি, হেলাল উদ্দিন, নুরুল হক নুর, আরিফ উদ্দিন, নেছারুল হক, ইব্রাহীম, আনিসুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আলম, রিদোয়ান, খোরশেদ এবং সমিতির সদস্যবৃন্দসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় শাখার বহু নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে মাওলানা ইয়াকুব আল কাদেরীর পরিচালনায় মিলাদ কিয়াম ও মাওলানা মোহাম্মদ আলমগীর আল কাদেরীর পরিচালনায় খালেদা জিয়া ও শহিদ জিয়াউর রহমানের বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে