
শাহাবুদ্দিন শুভ

বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে আয়োজিত “হ্যান্ডওভার অব সার্টিফিকেটস টু দ্য নিউ ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্কস ২০২৬” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক, সিলেটপিডিয়া প্রধান সম্পাদক ও ডক্টরস এন মেডিসিনের সিইও শাহাবুদ্দিন শুভ।
গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধি, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এবারের আয়োজনে নতুনভাবে স্বীকৃতি পাওয়া ১২টি ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূ-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিবেশ সচেতনতা এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
তিনি জানান, এ ধরনের আয়োজন বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ জিওপার্কের বৈশিষ্ট্য, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন জিওপার্কগুলোকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে গবেষণা, শিক্ষা এবং পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা শুধু বৈশ্বিক উন্নয়নধারা সম্পর্কে জানতে পারি না, বরং বাংলাদেশের সম্ভাবনাকেও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
উল্লেখ্য, ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্ক হলো এমন একটি স্বীকৃতি, যা কোনো অঞ্চলের বিশেষ ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৬ সালে নতুন ১২টি জিওপার্ক যুক্ত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী এই নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে আয়োজিত “হ্যান্ডওভার অব সার্টিফিকেটস টু দ্য নিউ ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্কস ২০২৬” অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক, সিলেটপিডিয়া প্রধান সম্পাদক ও ডক্টরস এন মেডিসিনের সিইও শাহাবুদ্দিন শুভ।
গতকাল সোমবার (২৭ এপ্রিল) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধি, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এবারের আয়োজনে নতুনভাবে স্বীকৃতি পাওয়া ১২টি ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্ককে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন শুভ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভূ-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিবেশ সচেতনতা এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের বিষয়গুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
তিনি জানান, এ ধরনের আয়োজন বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ জিওপার্কের বৈশিষ্ট্য, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নতুন জিওপার্কগুলোকে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে গবেষণা, শিক্ষা এবং পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শাহাবুদ্দিন শুভ বলেন, “এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা শুধু বৈশ্বিক উন্নয়নধারা সম্পর্কে জানতে পারি না, বরং বাংলাদেশের সম্ভাবনাকেও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
উল্লেখ্য, ইউনেসকো গ্লোবাল জিওপার্ক হলো এমন একটি স্বীকৃতি, যা কোনো অঞ্চলের বিশেষ ভূতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৬ সালে নতুন ১২টি জিওপার্ক যুক্ত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী এই নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তা নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। বিশেষ করে নারী কর্মসংস্থান হ্রাস, যুব বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং অভিবাসী শ্রমিকদের অনিশ্চয়তা বাড়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক।