
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস গতকাল শুক্রবার (১ আগষ্ট) ঈসা টাউনের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করে।

এ ক্যাম্পের মাধ্যমে দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইনকানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

এই ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এলএমআরএ), ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট ও রেসিডেন্সির (এনপিআরএ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার নিজে কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সকল প্রতিনিধিদেরকে সেমিনারে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশিদের সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মকর্তারা সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস দিনব্যাপী মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে, যাতে বাহরাইনের ঈসা টাউন, তুবলী, জিদআলী, সালমাবাদ এবং আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

বাহরাইনের বাংলাদেশ দূতাবাস গতকাল শুক্রবার (১ আগষ্ট) ঈসা টাউনের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পের আয়োজন করে।

এ ক্যাম্পের মাধ্যমে দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইনকানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

এই ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (এলএমআরএ), ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং ইমিগ্রেশন, পাসপোর্ট ও রেসিডেন্সির (এনপিআরএ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার নিজে কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বাহরাইনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সকল প্রতিনিধিদেরকে সেমিনারে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশিদের সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মকর্তারা সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস দিনব্যাপী মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে, যাতে বাহরাইনের ঈসা টাউন, তুবলী, জিদআলী, সালমাবাদ এবং আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।