
বিডিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ফুটবলের সর্ববৃহৎ আয়োজন গালফ কাপের ২৬তম আসরে বাহরাইন চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দেশটির রাজধানী মানামায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা আনন্দ র্যালি করেছেন।
গালফ কাপের ফাইনাল ম্যাচ শনিবার (৪ জানুয়ারি) কুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় মুক্তা সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে দেশটির জোফের শপিংমলের মুক্তা সিনেমা হলের বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখানো হয়।

ম্যাচটি উপভোগ করতে ও বাহরাইন দলকে সমর্থন জানাতে এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন কায়েস, বাহরাইন ক্যাপিটাল গভর্নরেটের পরিচালক ইউসুফ লরি, বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন ও মুক্তা সিনেমা হলের কর্মকর্তাসহ বাহরাইনি ও কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি।

উপস্থিত দর্শকেরা এই সুন্দর আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ফাইনাল ম্যাচে বাহরাইন জয়ী হলে খেলা শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা আনন্দ র্যালি বের করেন।

এ ছাড়া, বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাহরাইনের জাতীয় ফুটবল দল এবং বাহরাইন সরকারকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানান।

মধ্যপ্রাচ্যে ফুটবলের সর্ববৃহৎ আয়োজন গালফ কাপের ২৬তম আসরে বাহরাইন চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দেশটির রাজধানী মানামায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা আনন্দ র্যালি করেছেন।
গালফ কাপের ফাইনাল ম্যাচ শনিবার (৪ জানুয়ারি) কুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং স্থানীয় মুক্তা সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ ও বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে দেশটির জোফের শপিংমলের মুক্তা সিনেমা হলের বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি দেখানো হয়।

ম্যাচটি উপভোগ করতে ও বাহরাইন দলকে সমর্থন জানাতে এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন কায়েস, বাহরাইন ক্যাপিটাল গভর্নরেটের পরিচালক ইউসুফ লরি, বাহরাইন ক্রিকেট ফেডারেশন ও মুক্তা সিনেমা হলের কর্মকর্তাসহ বাহরাইনি ও কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশি।

উপস্থিত দর্শকেরা এই সুন্দর আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ফাইনাল ম্যাচে বাহরাইন জয়ী হলে খেলা শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা আনন্দ র্যালি বের করেন।

এ ছাড়া, বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাহরাইনের জাতীয় ফুটবল দল এবং বাহরাইন সরকারকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে সংগঠনের উপদেষ্টা সুরুজ্জামান সুরুজ, সায়েম সরকার ও মাইনুদ্দিনসহ সংগঠনের নেতা ও সদস্যবৃন্দ, মসজিদ কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার, ভালিয়ান্তে বাংলার সভাপতি ফজলে এলাহি, জাকির হোসেনসহ এবং বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।
চাঁদ রাত মেলা শুরু হয় বেলা ১১টায়। মেলায় ছিল ৫০টিরও বেশি বাহারি পোশাক, রকমারি গয়না, মেহেদি ও সুস্বাদু খাবারের স্টল ও ফুড ট্রাক। বাচ্চাদের জন্য ছিল ফেস পেইন্টিংসহ বিনোদনের হরেক রকম ব্যবস্থা। সন্ধ্যার পরে মেলায় ছিল প্রবাসীদের উপচে পড়া ভিড়।
ইফতার অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে স্মৃতিচারণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আড্ডায় অংশ নেন। এ সময় বাংলাদেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার অন্যতম পথিকৃৎ এবং বিভাগের সদ্যপ্রয়াত শিক্ষক অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।