
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৩ মার্চ) জেনেভার স্থানীয় একটি গীর্জা প্যারোয়াস প্রোটেস্ট্যান্ট ড্য মন্টব্রিয়ঁর হল রুমে এই ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ক্যান্টনে বসবাসরত কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে এই ইফতার যেন বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থায়ী মিশনের পলিটিক্যাল মিনিস্টার মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান।
সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্লাবের সভাপতি হারুন রশীদ। যৌথভাবে পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম জর্জ ও সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাবুল বিশ্বাস, ইমরান চৌধুরী, তাজুল ইসলাম শামিম, শামিম সিকদার, স্বপন হাওলাদার, আনোয়ারুল ইসলাম জর্জ, আলম, মোখতার হোসেন, আলাউদ্দীন ব্যাপারি ও সহিদুল আলম স্বপন প্রমুখ।
বাংলাদেশ ক্লাব, জেনেভা সুইজারল্যান্ড সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি সামাজিক সংগঠন। এই সংগঠনটি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মাঝে বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে কাজ করছে। এ ছাড়াও, জেনেভাতে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বিশেষ অবদান রাখছে। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় ইফতার মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশ ক্লাব জেনেভার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৩ মার্চ) জেনেভার স্থানীয় একটি গীর্জা প্যারোয়াস প্রোটেস্ট্যান্ট ড্য মন্টব্রিয়ঁর হল রুমে এই ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভাসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ক্যান্টনে বসবাসরত কয়েক শ প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে এই ইফতার যেন বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত তারেক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থায়ী মিশনের পলিটিক্যাল মিনিস্টার মোহাম্মাদ কামরুজ্জামান।
সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্লাবের সভাপতি হারুন রশীদ। যৌথভাবে পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম জর্জ ও সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাবুল বিশ্বাস, ইমরান চৌধুরী, তাজুল ইসলাম শামিম, শামিম সিকদার, স্বপন হাওলাদার, আনোয়ারুল ইসলাম জর্জ, আলম, মোখতার হোসেন, আলাউদ্দীন ব্যাপারি ও সহিদুল আলম স্বপন প্রমুখ।
বাংলাদেশ ক্লাব, জেনেভা সুইজারল্যান্ড সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একটি সামাজিক সংগঠন। এই সংগঠনটি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের মাঝে বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে কাজ করছে। এ ছাড়াও, জেনেভাতে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বিশেষ অবদান রাখছে। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় ইফতার মাহফিল সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে