
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) উদ্যোগে বাংলা দিনপঞ্জির নতুন বছর ১৪৩২ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে সমকালীন ভাবনা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিডিপিএফের এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভার্চুয়াল আলোচনায় বিশেষ আলোচক হিসেবে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবাইদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও দর্শনের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।
আলোচনা সঞ্চালনা করেন বিডিপিএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরে মওলা।
ভার্চুয়াল আলোচনায় বিশেষ আলোচক ও আমন্ত্রিতদের স্বাগত জানান, বিডিপিএফের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. জি এম আতিকুর রহমান ও সদস্য প্রোগ্রাম অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই। তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিডিপিএফের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।
সলিমুল্লাহ খান বলেন, বর্তমান আধুনিক জগতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার মতো শিক্ষার পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অতি জরুরি। তিনি আরও বলেন, যে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিধা ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে সেখানে আত্মা ও চিন্তার মেলবন্ধন প্রয়োজন।
এ বি এম ওবাইদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা হবে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
মো. আব্দুল হাই ও বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ ড. মো. সানাউল হকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা খুব স্বীকৃত। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি বিশ্বাস করি এবং উচ্চ পর্যায়ে শিক্ষকদের ডক্টরাল ডিগ্রি থাকা উচিত। এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ছাড়া, তিনি সার্কুলার অর্থনীতি পাঠ্যসূচিতে সংযুক্ত করা নিয়ে আলোচনার কথা বলেন।
মো. আব্দুল হাইয়ের প্রশ্ন ছিল, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতি আছে কি? এবং মো. সানাউল হকের প্রশ্ন ছিল, বর্তমান উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষকের অবশ্যই উচ্চতর ডিগ্রি কি থাকা উচিত?
এ ছাড়া, বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান সদস্য অধ্যাপক ডক্টর আনিসুর রহমান ফারুকের এক প্রশ্নের উত্তরে ওবাইদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে এসডিজির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে অবশ্যই বাংলাদেশের সরকার ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে 'জয়েন্ট রিসার্চ অ্যান্ড স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের কথা ভাবছে। তিনি প্রয়োজনে বিডিপিএফের সহযোগিতা কামনা করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক, সমাজকর্মী, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা এই ভার্চুয়াল আলোচনায় যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. নূরুল আলম, অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, সিনিয়র গবেষক ড. কামরুল হোসেন, অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার, সিনিয়র গবেষক ড. সুনিল কুণ্ডু, ইউআইটিএসের অধ্যাপক ড. ইশতিয়ার আরিফ, অধ্যাপক ড. কায়সার আলি, ড. শের- ই-খোদা, অধ্যাপক ড.আরিফুর রহমান, গবেষক ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, গবেষক ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, গবেষক ড. সানাউল হক, গবেষক ড. শাকের আহমেদ, গবেষক ড. মীর সালাম, ড. মো. ফেরদৌস লিটন খান, ড. শাহরিয়ার মাহমুদ, ড. মো. আবুল হাশেম, ড. আহমদ খায়রুল হাসান, গবেষক লাবণী খাতুন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মান্নান, সফটওয়্যার প্রকৌশলী নূরুল হুদা রবিন, উদ্যোক্তা মো. নাহিদুল ইসলাম ও এহসানুল হক, সাংবাদিক মনোয়ারা বেগম মনি, ভিজেভি স্টুটবার্গ, উদ্যোক্তা ও গবেষক মো. আব্দুর রহমান (রাজু)।
তারা সম্মিলিতভাবে মত দেন, শিক্ষা একটি রাষ্ট্রের অঙ্গ নয় বরং একটি ভিত্তিস্বরূপ। তাই শিক্ষার সঠিক সংস্কারের সাথে এবং নতুন সার্কুলার অর্থনীতির পাঠদান ও এক্সপার্টদের সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় কাজে লাগানো ছাড়া জাতিকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের (বিডিপিএফ) উদ্যোগে বাংলা দিনপঞ্জির নতুন বছর ১৪৩২ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে ‘বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে সমকালীন ভাবনা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল) ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিডিপিএফের এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভার্চুয়াল আলোচনায় বিশেষ আলোচক হিসেবে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবাইদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও দর্শনের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।
আলোচনা সঞ্চালনা করেন বিডিপিএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরে মওলা।
ভার্চুয়াল আলোচনায় বিশেষ আলোচক ও আমন্ত্রিতদের স্বাগত জানান, বিডিপিএফের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. জি এম আতিকুর রহমান ও সদস্য প্রোগ্রাম অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই। তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিডিপিএফের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।
সলিমুল্লাহ খান বলেন, বর্তমান আধুনিক জগতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার মতো শিক্ষার পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অতি জরুরি। তিনি আরও বলেন, যে শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বিধা ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে সেখানে আত্মা ও চিন্তার মেলবন্ধন প্রয়োজন।
এ বি এম ওবাইদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা হবে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
মো. আব্দুল হাই ও বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ ড. মো. সানাউল হকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা খুব স্বীকৃত। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি বিশ্বাস করি এবং উচ্চ পর্যায়ে শিক্ষকদের ডক্টরাল ডিগ্রি থাকা উচিত। এ ব্যাপারে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ছাড়া, তিনি সার্কুলার অর্থনীতি পাঠ্যসূচিতে সংযুক্ত করা নিয়ে আলোচনার কথা বলেন।
মো. আব্দুল হাইয়ের প্রশ্ন ছিল, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতি আছে কি? এবং মো. সানাউল হকের প্রশ্ন ছিল, বর্তমান উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষকের অবশ্যই উচ্চতর ডিগ্রি কি থাকা উচিত?
এ ছাড়া, বিডিপিএফের নির্বাহী কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান সদস্য অধ্যাপক ডক্টর আনিসুর রহমান ফারুকের এক প্রশ্নের উত্তরে ওবাইদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে এসডিজির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে অবশ্যই বাংলাদেশের সরকার ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে 'জয়েন্ট রিসার্চ অ্যান্ড স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের কথা ভাবছে। তিনি প্রয়োজনে বিডিপিএফের সহযোগিতা কামনা করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক, সমাজকর্মী, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা এই ভার্চুয়াল আলোচনায় যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক ড. নূরুল আলম, অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, সিনিয়র গবেষক ড. কামরুল হোসেন, অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার, সিনিয়র গবেষক ড. সুনিল কুণ্ডু, ইউআইটিএসের অধ্যাপক ড. ইশতিয়ার আরিফ, অধ্যাপক ড. কায়সার আলি, ড. শের- ই-খোদা, অধ্যাপক ড.আরিফুর রহমান, গবেষক ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, গবেষক ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, গবেষক ড. সানাউল হক, গবেষক ড. শাকের আহমেদ, গবেষক ড. মীর সালাম, ড. মো. ফেরদৌস লিটন খান, ড. শাহরিয়ার মাহমুদ, ড. মো. আবুল হাশেম, ড. আহমদ খায়রুল হাসান, গবেষক লাবণী খাতুন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মান্নান, সফটওয়্যার প্রকৌশলী নূরুল হুদা রবিন, উদ্যোক্তা মো. নাহিদুল ইসলাম ও এহসানুল হক, সাংবাদিক মনোয়ারা বেগম মনি, ভিজেভি স্টুটবার্গ, উদ্যোক্তা ও গবেষক মো. আব্দুর রহমান (রাজু)।
তারা সম্মিলিতভাবে মত দেন, শিক্ষা একটি রাষ্ট্রের অঙ্গ নয় বরং একটি ভিত্তিস্বরূপ। তাই শিক্ষার সঠিক সংস্কারের সাথে এবং নতুন সার্কুলার অর্থনীতির পাঠদান ও এক্সপার্টদের সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় কাজে লাগানো ছাড়া জাতিকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।
আয়োজকেরা জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই জমকালো অনুষ্ঠান। এমএস গোল্ড প্রেজেন্টস সোনালী সন্ধ্যা পাওয়ারড বাই সোনালী জুয়েলস' শিরোনামে আয়োজিত এই কনসার্টে এক মঞ্চে মিলবে গান, নাচ ও লাইভ ডিজে পারফরমেন্সের এক অনন্য সমন্বয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীকে চেয়ারম্যান, ফেলো প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু ইস্কান্দারকে ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেলো প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন খানকে সম্পাদক করে ১৮ সদস্যের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির প্রস্তাব করেন লাইফ ফেলো প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
আলোচনায় সলিমুল্লাহ খান বলেন, বর্তমান আধুনিক জগতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করার মতো শিক্ষার পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার মাধ্যমে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অতি জরুরি।
কেবল দেশে নয়, এই উৎসব উদ্যাপনে পিছিয়ে নেই প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। জীবিকার তাগিদে পরবাসে যেখানেই বাঙালির বসবাস, সেখানেই বেজে ওঠে আবহমান বাংলার সুর-‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...।’