
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাফিল মিয়ার স্মরণে সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মেজবান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুবাইয়ের আল গেসিসে আমিরাতপ্রবাসী ব্যবসায়ী, নেফ্লেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ইসরাফিল মিয়ার সন্তান এ কে আজাদের তত্ত্বাবধানে এই সভা দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মেজবান আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন ইসরাফিল মিয়া ছিলেন দেশের জন্য আত্মনিবেদনকারী এক বীর সৈনিক। জীবদ্দশায় মানবতার কল্যাণে তিনি যে অবদান রেখেছেন তা আমাদের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তারা ইসরাফিল মিয়ার উত্তরসূরীদের তার পথ অনুসরণের আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দুবাইয়ের ফাসনোভা লাইটিং গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক।
বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী সিআইপি, ব্যবসায়ী ফরিদুল আলম সিআইপি, কমিউনিটি নেতা ইসমাইল গণি চৌধুরী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোস্তফা কামাল শিমুল সিআইপি, আনসারুল হক আনসার সিআইপি।
কাজী মোহাম্মদ আলীর উপস্থাপনায় আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী মনজুরুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা আবু হেনা, ব্যবসায়ী রহমতুল্লাহ সুমনসহ প্রবাসীদের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে ইসরাফিল মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাফিল মিয়ার স্মরণে সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মেজবান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুবাইয়ের আল গেসিসে আমিরাতপ্রবাসী ব্যবসায়ী, নেফ্লেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ইসরাফিল মিয়ার সন্তান এ কে আজাদের তত্ত্বাবধানে এই সভা দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মেজবান আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন ইসরাফিল মিয়া ছিলেন দেশের জন্য আত্মনিবেদনকারী এক বীর সৈনিক। জীবদ্দশায় মানবতার কল্যাণে তিনি যে অবদান রেখেছেন তা আমাদের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তারা ইসরাফিল মিয়ার উত্তরসূরীদের তার পথ অনুসরণের আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দুবাইয়ের ফাসনোভা লাইটিং গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক।
বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতা ইঞ্জিনিয়ার আবু জাফর চৌধুরী সিআইপি, ব্যবসায়ী ফরিদুল আলম সিআইপি, কমিউনিটি নেতা ইসমাইল গণি চৌধুরী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোস্তফা কামাল শিমুল সিআইপি, আনসারুল হক আনসার সিআইপি।
কাজী মোহাম্মদ আলীর উপস্থাপনায় আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী মনজুরুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা আবু হেনা, ব্যবসায়ী রহমতুল্লাহ সুমনসহ প্রবাসীদের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে ইসরাফিল মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে