
বিডিজেন ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন দেশটির বিভিন্ন ক্যান্টনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
১৬ ডিসেম্বর সকালে চ্যান্সেরিতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজয় দিবস উদ্যাপনের সূচনা করেন জেনেভায় জাতিসংঘ দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় মিশনের মিলনাতয়নে বাংলাদেশ কমিউনিটির সম্মানিত সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ এবং মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ এবং জুলাই-আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।
এরপর স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করেন। বাণী পাঠের পর মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘আঁধার পেরিয়ে’ প্রদর্শিত হয়।

মুক্ত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন সমাজ, ভোটাধিকার, বাক্স্বাধীনতা এবং ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে প্রকৃত মুক্তি অর্জিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ, অসীম সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং যাঁরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছেন। একইসঙ্গে তিনি জুলাই-আগস্টের বৈপ্লবিক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও অংশগ্রহণকারী সকল লড়াকু সৈনিক ও আহতদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি মূল্যবোধ ও নৈতিকতার আলোকে ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক, অন্তর্বর্তীমূলক একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে সকল অভ্যাগতদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন দেশটির বিভিন্ন ক্যান্টনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
১৬ ডিসেম্বর সকালে চ্যান্সেরিতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিজয় দিবস উদ্যাপনের সূচনা করেন জেনেভায় জাতিসংঘ দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
দ্বিতীয় পর্বে সন্ধ্যায় মিশনের মিলনাতয়নে বাংলাদেশ কমিউনিটির সম্মানিত সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ এবং মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদ এবং জুলাই-আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।
এরপর স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করেন। বাণী পাঠের পর মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ‘আঁধার পেরিয়ে’ প্রদর্শিত হয়।

মুক্ত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে একটি বৈষম্যহীন সমাজ, ভোটাধিকার, বাক্স্বাধীনতা এবং ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে প্রকৃত মুক্তি অর্জিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ, অসীম সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং যাঁরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন এবং মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেছেন। একইসঙ্গে তিনি জুলাই-আগস্টের বৈপ্লবিক ছাত্র-শ্রমিক-জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও অংশগ্রহণকারী সকল লড়াকু সৈনিক ও আহতদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি মূল্যবোধ ও নৈতিকতার আলোকে ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক, অন্তর্বর্তীমূলক একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের জন্য সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে সকল অভ্যাগতদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
অনুষ্ঠানে একটি চমকপ্রদ পরিবেশন ছিল বিভিন্ন দেশের রাষ্টদূত কর্তৃক তাদের স্ব-স্ব ভাষায় কবিতা আবৃতি। উপস্থিত সকলে ভিন্নধর্মী এই মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পর্বকে আনন্দচিত্তে উপভোগ করেন। বাহরাইনস্থ ১৩টি দেশের রাষ্ট্রদূতগণ ও অন্য কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ তাদের মাতৃভাষায় কবিতা আবৃতি করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ার বব ব্ল্যাকম্যান এমপি বলেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এবং দলটির নিবন্ধন স্থগিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
সকল ভাষা শহিদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বকীয়তাবোধ ও জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
২ দিন আগে