
বিডিজেন ডেস্ক

আয়ারল্যান্ডে পিঠা উৎসব করেছে অল আয়ারল্যান্ড বাঙালি কমিউনিটি। সম্প্রতি কাউন্টি কিলদারের একটি সেন্টারে এ উৎসব আয়োজন করা হয়।
বাঙালির ঐতিহ্যপূর্ণ এই পিঠা উৎসবে বেশ আগ্রহ নিয়েই প্রবাসী বাঙালিরা অংশগ্রহণ করেন।
এ আয়োজন সাময়িক সময়ের জন্য দেশীয় কৃষ্টি-কালচারের স্বাদ আর ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন নির্মল আনন্দের খোরাক জোগায় প্রবাসীদের।
যান্ত্রিক ও ব্যস্ত জীবনের মাঝে দেশি আমেজে একটু সময় কাটানো এবং বাংলাদেশি ঐতিহ্য প্রবাসীদের মধ্যে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এতে অনেক প্রবাসী পরিবার পরিজনসহ উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হরেক রকম পিঠা-পুলি বা পায়েস খেয়ে একদিকে যেমন তৃপ্তি পান, অন্যদিকে বাঙালির শীতকালীন পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্যবাহী উৎসবের মাঝে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন অপার মহিমায়।
সবার জন্য উন্মুক্ত পিঠা উৎসবে পৃথক পৃথকভাবে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পিঠা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় ৩০-৪০ রকমের পিঠা ছিল আয়োজনে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অল আয়ারল্যান্ড বাঙালি কমিউনিটির সভাপতি ডা. জিনু রাইন জায়গীরদার। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি আকতার হোসাইন, কাউন্টি কিলদারে বাঙালি কমিউনিটি সংগঠনের সভাপতি আবুল কাশেম, তানজিম উদ্দিন, কামরুল খান, আরাদ, মুমিন, মানিক, আনিস, তমাল, মাসুকসহ বাঙালি কমিউনিটির নেতারা।

আয়ারল্যান্ডে পিঠা উৎসব করেছে অল আয়ারল্যান্ড বাঙালি কমিউনিটি। সম্প্রতি কাউন্টি কিলদারের একটি সেন্টারে এ উৎসব আয়োজন করা হয়।
বাঙালির ঐতিহ্যপূর্ণ এই পিঠা উৎসবে বেশ আগ্রহ নিয়েই প্রবাসী বাঙালিরা অংশগ্রহণ করেন।
এ আয়োজন সাময়িক সময়ের জন্য দেশীয় কৃষ্টি-কালচারের স্বাদ আর ব্যতিক্রমধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজন নির্মল আনন্দের খোরাক জোগায় প্রবাসীদের।
যান্ত্রিক ও ব্যস্ত জীবনের মাঝে দেশি আমেজে একটু সময় কাটানো এবং বাংলাদেশি ঐতিহ্য প্রবাসীদের মধ্যে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এতে অনেক প্রবাসী পরিবার পরিজনসহ উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হরেক রকম পিঠা-পুলি বা পায়েস খেয়ে একদিকে যেমন তৃপ্তি পান, অন্যদিকে বাঙালির শীতকালীন পিঠা খাওয়ার ঐতিহ্যবাহী উৎসবের মাঝে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন অপার মহিমায়।
সবার জন্য উন্মুক্ত পিঠা উৎসবে পৃথক পৃথকভাবে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পিঠা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় ৩০-৪০ রকমের পিঠা ছিল আয়োজনে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অল আয়ারল্যান্ড বাঙালি কমিউনিটির সভাপতি ডা. জিনু রাইন জায়গীরদার। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি আকতার হোসাইন, কাউন্টি কিলদারে বাঙালি কমিউনিটি সংগঠনের সভাপতি আবুল কাশেম, তানজিম উদ্দিন, কামরুল খান, আরাদ, মুমিন, মানিক, আনিস, তমাল, মাসুকসহ বাঙালি কমিউনিটির নেতারা।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯টি পদের মধ্যে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল জয় পেয়েছে ২০টি পদে, আর এবাদ-ময়নুল-বাবুল প্যানেল পেয়েছে ৯টি পদ। অর্থাৎ নেতৃত্বের মূল দুটি পদ বিভক্ত হলেও পরিষদের অধিকাংশ পদে প্রাধান্য পেয়েছে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে আরও সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালিয়ানার পরিচয় পৌঁছে দেওয়াই এই সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।
শুক্রবার বিকেল থেকেই বইপ্রেমী, লেখক, পাঠক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ। চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া যেন উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সন্ধ্যা ঘনানোর আগেই উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা দেশীয় পোশাক, অলংকার, হস্তশিল্প, প্রসাধনী এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আকর্ষণীয় পসরা সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন কাড়েন। উদ্যোক্তারা জানান, এমন আয়োজন তাদের ব্যবসায়িক পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রবাসী ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়।