
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশি যাঁরা ফিনল্যান্ডের ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারী যাঁরা ফিনল্যান্ডে বসবাস করছেন, তাঁদের সবার একত্র হওয়ার বা নিজেদের খুঁজে পাওয়ার সংগঠন ‘বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড’ (বিডিপিএফ)। এই সংগঠনের কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করার জন্য ২০২৫–২০২৬ সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় বিডিপিএফের ভার্চুয়াল সাধারণ সভায় ২০২৫-২০২৬ সালের জন্য দুই বছর মেয়াদি ১০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।
নির্বাহী কমিটিতে হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. মঞ্জুরে মওলাকে সভাপতি, ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জি এম আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব এবং লাপ্পেরান্তা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. সানাউল হককে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে।
১০ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য সদস্যরা হলেন হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো, আব্দুল হাই (প্রোগ্রাম প্ল্যানিং অ্যান্ড কলসাল্টেশন), লাপ্পেরান্তা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আনিসুর রহমান ফারুক ও ইভাসস্কুলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শের-ই-খোদা যুগ্মভাবে (শিক্ষা ও সংস্কৃতি), তাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ (আন্তর্জাতিক বিষয়), ওলু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ (পার্টনারশিপ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এবং ভাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শাকের আহমেদ ও তাম্পেরে থেকে ড. মো. হিজবুল আলম যুগ্মভাবে (ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অ্যান্ড ট্রেনিং)।
ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের ভার্চ্যুয়াল সাধারণ সভায় বিডিপিএফের উপদেষ্টা ড. সুনীল কুণ্ডু, উপদেষ্টা ড. এইস এম সামসুজ্জোহা, ড. মো. আব্দুল হাই, ড. আনিসুর রহমান ফারুক, ড. শের-ই-খোদা, ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, ড. শাকের আহমেদ, ড. মো. হিজবুল আলম, ড. মো. সানাউল হক, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. জি এম আতিকুর রহমান ও ড. মো. মঞ্জুরে মওলা (মুঞ্জুর) উপস্থিত ছিলেন।
ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে বিডিপিএফকে আরও শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিডিপিএফ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.bdpf.com–এ।

বাংলাদেশি যাঁরা ফিনল্যান্ডের ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ডক্টরেট ডিগ্রিধারী যাঁরা ফিনল্যান্ডে বসবাস করছেন, তাঁদের সবার একত্র হওয়ার বা নিজেদের খুঁজে পাওয়ার সংগঠন ‘বাংলাদেশ ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ড’ (বিডিপিএফ)। এই সংগঠনের কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করার জন্য ২০২৫–২০২৬ সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রোববার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় বিডিপিএফের ভার্চুয়াল সাধারণ সভায় ২০২৫-২০২৬ সালের জন্য দুই বছর মেয়াদি ১০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।
নির্বাহী কমিটিতে হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. মঞ্জুরে মওলাকে সভাপতি, ইস্টার্ন ফিনল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. জি এম আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব এবং লাপ্পেরান্তা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. সানাউল হককে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে।
১০ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচিত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য সদস্যরা হলেন হেলসিঙ্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো, আব্দুল হাই (প্রোগ্রাম প্ল্যানিং অ্যান্ড কলসাল্টেশন), লাপ্পেরান্তা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আনিসুর রহমান ফারুক ও ইভাসস্কুলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শের-ই-খোদা যুগ্মভাবে (শিক্ষা ও সংস্কৃতি), তাম্পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ (আন্তর্জাতিক বিষয়), ওলু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ (পার্টনারশিপ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এবং ভাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শাকের আহমেদ ও তাম্পেরে থেকে ড. মো. হিজবুল আলম যুগ্মভাবে (ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অ্যান্ড ট্রেনিং)।
ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের ভার্চ্যুয়াল সাধারণ সভায় বিডিপিএফের উপদেষ্টা ড. সুনীল কুণ্ডু, উপদেষ্টা ড. এইস এম সামসুজ্জোহা, ড. মো. আব্দুল হাই, ড. আনিসুর রহমান ফারুক, ড. শের-ই-খোদা, ড. জুলিয়াস ফ্রান্সিস গোমেজ, ড. শাকের আহমেদ, ড. মো. হিজবুল আলম, ড. মো. সানাউল হক, ড. এ কে এম সাইফুল্লাহ, ড. জি এম আতিকুর রহমান ও ড. মো. মঞ্জুরে মওলা (মুঞ্জুর) উপস্থিত ছিলেন।
ডক্টরস প্ল্যাটফর্ম ইন ফিনল্যান্ডের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে বিডিপিএফকে আরও শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিডিপিএফ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে www.bdpf.com–এ।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯টি পদের মধ্যে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল জয় পেয়েছে ২০টি পদে, আর এবাদ-ময়নুল-বাবুল প্যানেল পেয়েছে ৯টি পদ। অর্থাৎ নেতৃত্বের মূল দুটি পদ বিভক্ত হলেও পরিষদের অধিকাংশ পদে প্রাধান্য পেয়েছে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে আরও সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালিয়ানার পরিচয় পৌঁছে দেওয়াই এই সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।
শুক্রবার বিকেল থেকেই বইপ্রেমী, লেখক, পাঠক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ। চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া যেন উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সন্ধ্যা ঘনানোর আগেই উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা দেশীয় পোশাক, অলংকার, হস্তশিল্প, প্রসাধনী এবং বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আকর্ষণীয় পসরা সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন কাড়েন। উদ্যোক্তারা জানান, এমন আয়োজন তাদের ব্যবসায়িক পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রবাসী ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়।