
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হু’জ হুর প্রকাশনা ও অ্যাওয়ার্ডের ১৫তম আসর।
সম্প্রতি (১২ নভেম্বর সন্ধ্যায়) লন্ডনের মেরিডিয়ান গ্র্যান্ড হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এবারের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন করেন ব্র্যাকনেল কনজার্ভেটিভ পার্টির সাবেক এমপি কর্নেল জেমস সান্ডার্লেন্ড, চ্যানেল এসের প্রতিষ্ঠাতা মাহি ফেরদৌস জলিল, হু’জ হুর প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল করিম গণি, পার্ল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের ডিরেক্টর আহাদ আহমেদ ও হু’জ হুর নির্বাহী সম্পাদক সোহানা আহমেদ।
বাংলা মিরর গ্রুপের এ প্রকাশনায় এবার যুক্ত হয়েছে ২৭৩ জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশির সাফল্যগাথার কথা। এবারের প্রকাশনায় সংযুক্ত হয়েছে নতুন নতুন প্রতিভার অবদানের কথা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল জেমস সান্ডার্লেন্ড বলেন, ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটির সাফল্যগাথা ও অগ্রযাত্রার চিত্র ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের হু’জ হু প্রকাশনায় ফুটে ওঠে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এ প্রকাশনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে ব্রিটেনের মূলধারায় সেতুবন্ধন তৈরি করতে এবং পেয়েছে সফলতাও। এ প্রকাশনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সঞ্চার করবে।
তিনি বলেন, নিজ নিজ পেশায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে চলছেন এমন ৮ জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হু’জ হু অ্যাওয়ার্ড দিয়ে সম্মানিত করেছে।
হু’জ হুর প্রধান সম্পাদক আব্দুল করিম গণি বলেন, ব্রিটেনে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রবীণ ও নবীনেরা ব্রিটিশ কমিউনিটিতে অনন্য ভূমিকা রেখে আসছেন। আমাদের এ প্রকাশনা থেকে সহজেই কমিউনিটির অবদানের বিষয়টি জানতে পারে সবাই।
মেরিডিয়ান গ্র্যান্ড ও ওয়ার্ক পারমিট ক্লাউডের সহযোগিতায় আয়োজিত এবারের আসরের সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ব্যারিস্টার নাদিয়া আলি ও ব্যারিস্টার আনোয়ার মিয়া।
স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকাশনার নির্বাহী সম্পাদক সোহানা আহমেদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ মূলধারা ও কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
এবারের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন– জালাল রাজন উদ্দিন (রাজনীতি ও সমাজসেবা), আব্দুল হক (প্রযুক্তি ও মিডিয়া), সাব্বির জামি (ব্যবসা ও সমাজসেবা), ইয়াসমিন হারুন বিইএম (স্পোর্টস ও চ্যারিটি), আলাউর রহমান (সংগীত), আশিকুর রহমান (ট্যুরিজম), করিম মিয়া শামীম (ক্যাটারিং ও প্রপার্টি) ও শামস উদ্দিন খান (শিক্ষা)।
এ আয়োজনে অতিথি হিসেবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– হ্যারো কাউন্সিলের মেয়র সেলিম চৌধুরী, টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার সাইফ উদ্দিন খালেদ, নিউহ্যামের মেয়র রহিমা রহমান, ক্যামডেনের মেয়র সমতা খাতুন, লয়েস্টটফ্ট টাউন কাউন্সিলের মেয়র নাসিমা বেগম, বারকিং অ্যান্ড ডেগেনহ্যামের মেয়র মইন কাদেরী, বার্নলির মেয়র শাহ হোসেন ও স্টেপলফোর্ডের মেয়র রাহি আলী প্রমুখ।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হু’জ হুর প্রকাশনা ও অ্যাওয়ার্ডের ১৫তম আসর।
সম্প্রতি (১২ নভেম্বর সন্ধ্যায়) লন্ডনের মেরিডিয়ান গ্র্যান্ড হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এবারের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উন্মোচন করেন ব্র্যাকনেল কনজার্ভেটিভ পার্টির সাবেক এমপি কর্নেল জেমস সান্ডার্লেন্ড, চ্যানেল এসের প্রতিষ্ঠাতা মাহি ফেরদৌস জলিল, হু’জ হুর প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল করিম গণি, পার্ল অ্যাডভার্টাইজিংয়ের ডিরেক্টর আহাদ আহমেদ ও হু’জ হুর নির্বাহী সম্পাদক সোহানা আহমেদ।
বাংলা মিরর গ্রুপের এ প্রকাশনায় এবার যুক্ত হয়েছে ২৭৩ জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশির সাফল্যগাথার কথা। এবারের প্রকাশনায় সংযুক্ত হয়েছে নতুন নতুন প্রতিভার অবদানের কথা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল জেমস সান্ডার্লেন্ড বলেন, ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটির সাফল্যগাথা ও অগ্রযাত্রার চিত্র ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের হু’জ হু প্রকাশনায় ফুটে ওঠে। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এ প্রকাশনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে ব্রিটেনের মূলধারায় সেতুবন্ধন তৈরি করতে এবং পেয়েছে সফলতাও। এ প্রকাশনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সঞ্চার করবে।
তিনি বলেন, নিজ নিজ পেশায় সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে চলছেন এমন ৮ জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশিকে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হু’জ হু অ্যাওয়ার্ড দিয়ে সম্মানিত করেছে।
হু’জ হুর প্রধান সম্পাদক আব্দুল করিম গণি বলেন, ব্রিটেনে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রবীণ ও নবীনেরা ব্রিটিশ কমিউনিটিতে অনন্য ভূমিকা রেখে আসছেন। আমাদের এ প্রকাশনা থেকে সহজেই কমিউনিটির অবদানের বিষয়টি জানতে পারে সবাই।
মেরিডিয়ান গ্র্যান্ড ও ওয়ার্ক পারমিট ক্লাউডের সহযোগিতায় আয়োজিত এবারের আসরের সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ব্যারিস্টার নাদিয়া আলি ও ব্যারিস্টার আনোয়ার মিয়া।
স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকাশনার নির্বাহী সম্পাদক সোহানা আহমেদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ মূলধারা ও কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
এবারের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন– জালাল রাজন উদ্দিন (রাজনীতি ও সমাজসেবা), আব্দুল হক (প্রযুক্তি ও মিডিয়া), সাব্বির জামি (ব্যবসা ও সমাজসেবা), ইয়াসমিন হারুন বিইএম (স্পোর্টস ও চ্যারিটি), আলাউর রহমান (সংগীত), আশিকুর রহমান (ট্যুরিজম), করিম মিয়া শামীম (ক্যাটারিং ও প্রপার্টি) ও শামস উদ্দিন খান (শিক্ষা)।
এ আয়োজনে অতিথি হিসেবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– হ্যারো কাউন্সিলের মেয়র সেলিম চৌধুরী, টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার সাইফ উদ্দিন খালেদ, নিউহ্যামের মেয়র রহিমা রহমান, ক্যামডেনের মেয়র সমতা খাতুন, লয়েস্টটফ্ট টাউন কাউন্সিলের মেয়র নাসিমা বেগম, বারকিং অ্যান্ড ডেগেনহ্যামের মেয়র মইন কাদেরী, বার্নলির মেয়র শাহ হোসেন ও স্টেপলফোর্ডের মেয়র রাহি আলী প্রমুখ।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সভায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক অসহায় ও প্রান্তিক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পুড়িয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি করা হয়। বক্তারা বলেন, দেশে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ মব সহিংসতা ও ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে।
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী সাংবাদিকদের কাছে বাংলাদেশের আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি, সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে এই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সরকারের অঙ্গীকারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে সুইস পক্ষকে অবহিত করেন এবং একই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলোর ওপর আলোকপাত করেন।