বিডিজেন ডেস্ক
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) হাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণ বিজয় দিবসের ব্যানার ও পোস্টার দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়। আয়োজনে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
সকালে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীর উপস্থিতিতে দূতালয় প্রাঙ্গণে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনাপর্ব শুরু হয়। এরপর ৫৩তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনাপর্বে অন্যদের মধ্যে উপহাইকমিশনার মো. আমিনুল ইসলাম খাঁন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির এক গৌরবোজ্জল দিন। তিনি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের। বিশেষভাবে স্মরণ করেন দুই লক্ষাধিক সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আগামীতে এমন একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থকতা লাভ করে।
পরিশেষে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ ছাড়া, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণে শিশু-কিশোরসহ সকলের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ ও অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালা সমাপ্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
১৬ ডিসেম্বর (সোমবার) হাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণ বিজয় দিবসের ব্যানার ও পোস্টার দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়। আয়োজনে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
সকালে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীর উপস্থিতিতে দূতালয় প্রাঙ্গণে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনাপর্ব শুরু হয়। এরপর ৫৩তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাণী পাঠ এবং মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনাপর্বে অন্যদের মধ্যে উপহাইকমিশনার মো. আমিনুল ইসলাম খাঁন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির এক গৌরবোজ্জল দিন। তিনি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের। বিশেষভাবে স্মরণ করেন দুই লক্ষাধিক সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আগামীতে এমন একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থকতা লাভ করে।
পরিশেষে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ ছাড়া, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণে শিশু-কিশোরসহ সকলের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ ও অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালা সমাপ্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। বুধবার (২ এপ্রিল) পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলমানরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ নামাজের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মিলানে বসবাসরত বাংলাদেশি মুসলমানরা রোববার (৩০ মার্চ) বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনা ও আনন্দ–উল্লাসের মাধ্যমে উদযাপন করেন পবিত্র ঈদুল ফিতর।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে প্রতিবারের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।