মাহবুব রহমান, ওয়ারশ (পোল্যান্ড) থেকে
হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হরেক রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে এবং ঋতুরাজ বসন্তকে স্বাগত জানাতে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে বসন্তবরণ উদযাপিত হয়েছে।
২২ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ওয়ারশোর ওসির পোলনাতে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
হরেক রকমের পিঠার স্বাদ নিতে এবং উৎসব উপভোগ করতে পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। এই পিঠা উৎসবের মধ্যদিয়ে বসন্তের তিন দিন আগেই শুরু হয়ে যায় ফাল্গুনের আমেজ। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় পোল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।
বসন্তকে বলা হয় ঋতুরাজ। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা জানান দিতে গাছে গাছে পলাশ, শিমুল, হিজল, তমাল, কৃষ্ণচূড়াসহ রংবেরঙের ফুল ফুটেছে। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির আজ এবর্ণিল সাজ। বসন্তের এই আগমনে প্রকৃতির সঙ্গে তরুণ হৃদয়েও লেগেছে দোলা। সব কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে বিভেদ ভুলে নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্তের উপস্থিতি। ফাগুনের মাতাল হাওয়া দোলা দিয়েছে বাংলার নিস্বর্গ প্রকৃতিতে। বাংলার প্রকৃতির সেই দোলা এসে লেগেছে এই দূর পরবাসে পোল্যান্ডের বাঙালিদের হৃদয়ে। বাসন্তি রঙে সেজে, নেচে, গেয়ে পোল্যান্ডেরা বাঙালি বরণ করেছে ঋতুরাজ বসন্তকে।
বসন্ত উৎসব কেবল উৎসবে মেতে ওঠাই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্য, বাঙালিসত্তা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন নুসরাত শারমিন। তিনি আমন্ত্রিত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান এবং এই উদ্যাপনের প্রতিপাদ্য তুলে ধরেন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন লুৎফর রহমান, মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম চাকদার শাকু, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ইয়ান জাহারভিচ।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ইয়াসমিন জালাল, ফৌজিয়া ইসলাম মোহনা, আরমান নাইম, মীর জাকির, মৌসুম শেখ, ফাহিম ও ফরহাদ কামাল।
বসন্তের আবৃত্তি করেন আনিকা জেরিন চৌধুরী। নৃত্য পরিবেশন করেন তানিয়া আফরিন, দীপিকা রায়, শুভজিৎ ধর চৌধুরী, রতন, অলিভিয়া, অর্পিতা, তুন্না, আয়শা এবং দুই ছোট্ট শিশু আফসিন ও ফারিসা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ভাবীদের নিয়ে আসা পিঠা অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। হরেক রকমের মুখরোচক পিঠা দিয়ে সবাই মেতে ওঠে পিঠা উৎসবে। ভাপা, পাটিসাপটা, দুধপুলি, মালাইপুলি, চিতই, ডিম পিঠা, চিকেন পিঠা,মালপোয়া, ফুল পিঠা, পাকানপিঠা ও বিবিখানা, চটপটি, রসমালাই, জিলাপী, রসগোল্লাসহ ঘরে বানানো হরেক রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয় উৎসবে। মুখরোচক এসব পিঠার ঘ্রাণে পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাসন্তী সাজে নিজেদের সাজিয়ে ছুটে আসেন নারী পুরুষ ও শিশু–কিশোরেরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়ান জাহারভিচ। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন তানিয়া আফরিন, ফারহানা জাহান, গাজী লিমন, গোলাম বায়েজিদ রবিন, কামরুল হুদা, সজল আহমেদ, আরমান নাইম, কলিন, ইসরাত নিতু, সানজিদা রাখি, জোহরা, মার্জিয়া, মুসকান, সজীব দাস।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলা ডাইন, চিলি কাবাব, দারুল ফুড, নেহার কাবাব, রহমান ফুড, ইউ মাইগ্রেশন সাপোর্ট, লিগাল উইংস, রেড চিলি ওরিয়েন্টাল রেস্তোরাঁ, সিক্রেট স্পাইস রেস্তোরাঁ, গ্রামীণ বাজার, হাট বাজার, কাবাব সেভেন ষ্টার, মীর কাবাব এবং শাহী বাজার ও হালাল মাংস।
আয়োজকেরা আশা পোষণ করেন, এমনিভাবে বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ধরনের মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করবেন। পোল্যান্ডের বুকে গড়ে উঠবে বাংলাদেশিদের একটি সুন্দর কমিউনিটি।
হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হরেক রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে এবং ঋতুরাজ বসন্তকে স্বাগত জানাতে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে বসন্তবরণ উদযাপিত হয়েছে।
২২ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ওয়ারশোর ওসির পোলনাতে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
হরেক রকমের পিঠার স্বাদ নিতে এবং উৎসব উপভোগ করতে পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। এই পিঠা উৎসবের মধ্যদিয়ে বসন্তের তিন দিন আগেই শুরু হয়ে যায় ফাল্গুনের আমেজ। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় পোল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়।
বসন্তকে বলা হয় ঋতুরাজ। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা জানান দিতে গাছে গাছে পলাশ, শিমুল, হিজল, তমাল, কৃষ্ণচূড়াসহ রংবেরঙের ফুল ফুটেছে। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির আজ এবর্ণিল সাজ। বসন্তের এই আগমনে প্রকৃতির সঙ্গে তরুণ হৃদয়েও লেগেছে দোলা। সব কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে বিভেদ ভুলে নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্তের উপস্থিতি। ফাগুনের মাতাল হাওয়া দোলা দিয়েছে বাংলার নিস্বর্গ প্রকৃতিতে। বাংলার প্রকৃতির সেই দোলা এসে লেগেছে এই দূর পরবাসে পোল্যান্ডের বাঙালিদের হৃদয়ে। বাসন্তি রঙে সেজে, নেচে, গেয়ে পোল্যান্ডেরা বাঙালি বরণ করেছে ঋতুরাজ বসন্তকে।
বসন্ত উৎসব কেবল উৎসবে মেতে ওঠাই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্য, বাঙালিসত্তা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন নুসরাত শারমিন। তিনি আমন্ত্রিত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান এবং এই উদ্যাপনের প্রতিপাদ্য তুলে ধরেন।
আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন লুৎফর রহমান, মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম চাকদার শাকু, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ইয়ান জাহারভিচ।
অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ইয়াসমিন জালাল, ফৌজিয়া ইসলাম মোহনা, আরমান নাইম, মীর জাকির, মৌসুম শেখ, ফাহিম ও ফরহাদ কামাল।
বসন্তের আবৃত্তি করেন আনিকা জেরিন চৌধুরী। নৃত্য পরিবেশন করেন তানিয়া আফরিন, দীপিকা রায়, শুভজিৎ ধর চৌধুরী, রতন, অলিভিয়া, অর্পিতা, তুন্না, আয়শা এবং দুই ছোট্ট শিশু আফসিন ও ফারিসা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ভাবীদের নিয়ে আসা পিঠা অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য হাজার গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। হরেক রকমের মুখরোচক পিঠা দিয়ে সবাই মেতে ওঠে পিঠা উৎসবে। ভাপা, পাটিসাপটা, দুধপুলি, মালাইপুলি, চিতই, ডিম পিঠা, চিকেন পিঠা,মালপোয়া, ফুল পিঠা, পাকানপিঠা ও বিবিখানা, চটপটি, রসমালাই, জিলাপী, রসগোল্লাসহ ঘরে বানানো হরেক রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয় উৎসবে। মুখরোচক এসব পিঠার ঘ্রাণে পোল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাসন্তী সাজে নিজেদের সাজিয়ে ছুটে আসেন নারী পুরুষ ও শিশু–কিশোরেরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়ান জাহারভিচ। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন তানিয়া আফরিন, ফারহানা জাহান, গাজী লিমন, গোলাম বায়েজিদ রবিন, কামরুল হুদা, সজল আহমেদ, আরমান নাইম, কলিন, ইসরাত নিতু, সানজিদা রাখি, জোহরা, মার্জিয়া, মুসকান, সজীব দাস।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলা ডাইন, চিলি কাবাব, দারুল ফুড, নেহার কাবাব, রহমান ফুড, ইউ মাইগ্রেশন সাপোর্ট, লিগাল উইংস, রেড চিলি ওরিয়েন্টাল রেস্তোরাঁ, সিক্রেট স্পাইস রেস্তোরাঁ, গ্রামীণ বাজার, হাট বাজার, কাবাব সেভেন ষ্টার, মীর কাবাব এবং শাহী বাজার ও হালাল মাংস।
আয়োজকেরা আশা পোষণ করেন, এমনিভাবে বাংলাদেশিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ধরনের মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করবেন। পোল্যান্ডের বুকে গড়ে উঠবে বাংলাদেশিদের একটি সুন্দর কমিউনিটি।
অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। বুধবার (২ এপ্রিল) পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রবাসী বাংলাদেশি মুসলমানরা উদ্যাপন করেছেন পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ নামাজের মাধ্যমে শুরু হয় এই উৎসব।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে মিলানে বসবাসরত বাংলাদেশি মুসলমানরা রোববার (৩০ মার্চ) বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনা ও আনন্দ–উল্লাসের মাধ্যমে উদযাপন করেন পবিত্র ঈদুল ফিতর।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে প্রতিবারের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।