
বকুল খান, মাদ্রিদ, স্পেন

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান টেস্ট অব তুর্কার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আনন্দঘন পরিবেশে এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে মাদ্রিদের টেস্ট অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টের হলরুমে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে ব্যবসায়ী আবুল কাশেম প্রতিষ্ঠানটির সকল সহকর্মীদের নিয়ে বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টেস্ট তুর্কার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি আমার সহকর্মীরা। তারাই আমার ব্যবসার স্পন্দন, আমার পরম আত্মীয়। সহকর্মীদের আন্তরিকতা শ্রম ও নিষ্ঠার ফলে এ সফলতা এসেছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ ও ঋণী।
মিলনমেলায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা ফোরামের উপদেষ্টা জালাল আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, এনামুল হক খোকন, সভাপতি মো. আরাফাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ ফেনী জেলা ফোরামের সকল সদস্য এবং টেস্ট তুর্কার সকল কর্মকর্তা–সহকর্মীসহ আমন্ত্রিত সাংবাদিক ও কমিউনিটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জান্নাতুল ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা সহকর্মীদের পুরষ্কার দেওয়া হয়। শেষে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। লটারিতে প্রথম ও দ্বিতীয়কে মোবাইল ফোন এবং তৃতীয়কে মোবাইল অ্যাক্সেসরি উপহার দেওয়া হয়।

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান টেস্ট অব তুর্কার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আনন্দঘন পরিবেশে এক বর্ণাঢ্য মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে মাদ্রিদের টেস্ট অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টের হলরুমে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে ব্যবসায়ী আবুল কাশেম প্রতিষ্ঠানটির সকল সহকর্মীদের নিয়ে বর্ষপূর্তি উদযাপন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টেস্ট তুর্কার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি আমার সহকর্মীরা। তারাই আমার ব্যবসার স্পন্দন, আমার পরম আত্মীয়। সহকর্মীদের আন্তরিকতা শ্রম ও নিষ্ঠার ফলে এ সফলতা এসেছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ ও ঋণী।
মিলনমেলায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা ফোরামের উপদেষ্টা জালাল আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, এনামুল হক খোকন, সভাপতি মো. আরাফাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ ফেনী জেলা ফোরামের সকল সদস্য এবং টেস্ট তুর্কার সকল কর্মকর্তা–সহকর্মীসহ আমন্ত্রিত সাংবাদিক ও কমিউনিটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জান্নাতুল ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা সহকর্মীদের পুরষ্কার দেওয়া হয়। শেষে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। লটারিতে প্রথম ও দ্বিতীয়কে মোবাইল ফোন এবং তৃতীয়কে মোবাইল অ্যাক্সেসরি উপহার দেওয়া হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে