
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

গভীর শ্রদ্ধা, যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সদস্য, শিক্ষার্থী, রেমিটেন্সযোদ্ধা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

২৬ মার্চ সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ সময় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ওপর সরকার কর্তৃক নির্মিত একটি তথ্যবহল প্রামাণ্যচিত্র প্রর্দশন করা হয়।

পরে আলোচনা সভায় দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রকৌশলী মো. বাদলুর রহমান খান, পেশাজীবী বেদৌরা নাজনীন, মাহবুব আলম শাহ, রেমিট্যান্সযোদ্ধা রবিন ও সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রতন বক্তব্য দেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “মহান স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে আমাদের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

তিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে এবং স্বাধীনতার পর বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
এ ছাড়া, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রবাসীদের অব্যাহত ভূমিকার প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন ও স্বাধীনতা দিবসের ওপর রচিত কবিতা আবৃত্তি করা হয়। পরিবেশনাগুলোর মাধ্যমে স্বাধীনতার গুরুত্ব, দেশপ্রেম এবং বৈষম্যহীন,গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের মাধ্যমে দেশের প্রতি তাদের অঙ্গীকার, গভীর দেশপ্রেম এবং ঐক্যের চেতনাকে পুনর্ব্যক্ত করেন।

গভীর শ্রদ্ধা, যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সদস্য, শিক্ষার্থী, রেমিটেন্সযোদ্ধা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

২৬ মার্চ সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পতাকা উত্তোলনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এ সময় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ওপর সরকার কর্তৃক নির্মিত একটি তথ্যবহল প্রামাণ্যচিত্র প্রর্দশন করা হয়।

পরে আলোচনা সভায় দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রকৌশলী মো. বাদলুর রহমান খান, পেশাজীবী বেদৌরা নাজনীন, মাহবুব আলম শাহ, রেমিট্যান্সযোদ্ধা রবিন ও সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রতন বক্তব্য দেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “মহান স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে আমাদের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

তিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে এবং স্বাধীনতার পর বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অসামান্য ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
এ ছাড়া, তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রবাসীদের অব্যাহত ভূমিকার প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন ও স্বাধীনতা দিবসের ওপর রচিত কবিতা আবৃত্তি করা হয়। পরিবেশনাগুলোর মাধ্যমে স্বাধীনতার গুরুত্ব, দেশপ্রেম এবং বৈষম্যহীন,গণতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের মাধ্যমে দেশের প্রতি তাদের অঙ্গীকার, গভীর দেশপ্রেম এবং ঐক্যের চেতনাকে পুনর্ব্যক্ত করেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে