
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রিয়াদে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন।

রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসী নাগরিক সমাজকে বাংলাদেশ প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সামনে ন্যায়, সাম্যভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ এসেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

এ ছাড়া, রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য সৌদি আরবে বসবাসকারী রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সবাইকে বৈধপথে বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। পরে জুলাই অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি সদস্যসহ অন্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির তাজুল ইসলাম গাজী, মো. বেলায়েত হোসেন এবং মামুনুর রশিদ চৌধুরী।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রিয়াদে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন।

রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রবাসী নাগরিক সমাজকে বাংলাদেশ প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।

মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সামনে ন্যায়, সাম্যভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ এসেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সম্মিলিতভাবে যার যার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।

এ ছাড়া, রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য সৌদি আরবে বসবাসকারী রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সবাইকে বৈধপথে বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয়। পরে জুলাই অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এসময় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি সদস্যসহ অন্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন রিয়াদের বাংলাদেশ কমিউনিটির তাজুল ইসলাম গাজী, মো. বেলায়েত হোসেন এবং মামুনুর রশিদ চৌধুরী।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া করা হয়। বিজ্ঞপ্তি
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯টি পদের মধ্যে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল জয় পেয়েছে ২০টি পদে, আর এবাদ-ময়নুল-বাবুল প্যানেল পেয়েছে ৯টি পদ। অর্থাৎ নেতৃত্বের মূল দুটি পদ বিভক্ত হলেও পরিষদের অধিকাংশ পদে প্রাধান্য পেয়েছে রনি-মারুফ-রাসেল প্যানেল।

সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
১৮ ঘণ্টা আগে