
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার দাবি জানিয়েছে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সুনামগঞ্জ জেলাবাসীদের সংগঠন সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে।
মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সম্প্রতি সংগঠনটির উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের একটি হলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তারা এ দাবি করেন।
বক্তারা ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা, ভাড়া বৈষম্য দূরীকরণসহ নো ভিসা ফি বাতিল করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
তারা বলেন, প্রবাসীদের আর কত প্রতিশ্রুতি দেবেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান এবার শুধু কথা নয়, বাস্তবায়ন করে দেখান।
তারা বলেন, দেশে প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র কায়েম করতে হবে। সব ধরনের দুর্নীতি ও সন্ত্রাস রোধে একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক ও রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রেখে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি দূর করে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আবুল লেইছ।
সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. ছানাওর আলী কয়েছ। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন মাওলানা তরিকুল ইসলাম।
আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রফেসর শাহগীর বখত ফারুক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আহবাব মিয়া, কাউন্সিলর ভিপি ইকবাল হোসেন, কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, কামরুজজামান চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমীন, ব্যারিস্টার রফিক আহমদ, আলাউদ্দিন আহমদ মুক্তা, সিলেট ছাতক সমিতির সাবেক সভাপতি ফজর আলী, মজির উদ্দীন, অ্যাডভোকেট আমীর উদ্দীন, এম এ আজিজ,আবদুল মালিক কুটি, প্রফেসর ওমর ফারুক, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, রেদোয়ান খান, আব্দুর রব, আবুল মনসুর রুমেল, মিজানুর রহমান হিরু, জুলহাস চৌধুরী, মাওলানা আবদুল ওয়াদুদ মুফতি, মাছুম তালুকদার, ফারুক আহমদ, জিলু আহমদ, আবদুল বাছিত শেলু, নজির উদ্দীন, দিলবর আলী, আবুল কাসেম আলীম, আমীর হোসেন, তফজ্জুল আলী, আবুল হোসেন, মকবুল আহমদ, ছৈল মিয়া, আব্দুস সোবহান ও মিলন আহমদ প্রমুখ।

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার দাবি জানিয়েছে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সুনামগঞ্জ জেলাবাসীদের সংগঠন সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকে।
মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সম্প্রতি সংগঠনটির উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের একটি হলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তারা এ দাবি করেন।
বক্তারা ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করা, ভাড়া বৈষম্য দূরীকরণসহ নো ভিসা ফি বাতিল করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
তারা বলেন, প্রবাসীদের আর কত প্রতিশ্রুতি দেবেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান এবার শুধু কথা নয়, বাস্তবায়ন করে দেখান।
তারা বলেন, দেশে প্রাতিষ্ঠানিক গণতন্ত্র কায়েম করতে হবে। সব ধরনের দুর্নীতি ও সন্ত্রাস রোধে একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক ও রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত রেখে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতি দূর করে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আবুল লেইছ।
সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. ছানাওর আলী কয়েছ। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন মাওলানা তরিকুল ইসলাম।
আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রফেসর শাহগীর বখত ফারুক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আহবাব মিয়া, কাউন্সিলর ভিপি ইকবাল হোসেন, কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, কামরুজজামান চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমীন, ব্যারিস্টার রফিক আহমদ, আলাউদ্দিন আহমদ মুক্তা, সিলেট ছাতক সমিতির সাবেক সভাপতি ফজর আলী, মজির উদ্দীন, অ্যাডভোকেট আমীর উদ্দীন, এম এ আজিজ,আবদুল মালিক কুটি, প্রফেসর ওমর ফারুক, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, রেদোয়ান খান, আব্দুর রব, আবুল মনসুর রুমেল, মিজানুর রহমান হিরু, জুলহাস চৌধুরী, মাওলানা আবদুল ওয়াদুদ মুফতি, মাছুম তালুকদার, ফারুক আহমদ, জিলু আহমদ, আবদুল বাছিত শেলু, নজির উদ্দীন, দিলবর আলী, আবুল কাসেম আলীম, আমীর হোসেন, তফজ্জুল আলী, আবুল হোসেন, মকবুল আহমদ, ছৈল মিয়া, আব্দুস সোবহান ও মিলন আহমদ প্রমুখ।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৩ দিন আগে