বিডিজেন ডেস্ক
উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা প্রায় সবারই পছন্দ। শিক্ষার মান, স্কলারশিপ, বাৎসরিক টিউশন ফি, আবাসন সুবিধা, শিক্ষার্থীদের আয়ের পথ এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় বাংলাদেশিদের কানাডায় উচ্চশিক্ষার আগ্রহ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
যদিও সম্প্রতি দেশটি বিদেশি শিক্ষার্থী নেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে থাকা–খাওয়ার খরচও অনেক। এ কারণে কানাডায় উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপের খোঁজ করেন সবাই। তাদের জন্য ‘ভেনিয়ার কানাডা গ্রাজুয়েট স্কলারশিপ (ভেনিয়ার সিজিএস)’ হতে পারে সেরা অপশন।
পিএইচডির জন্য প্রতিবছর কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৬৬টি স্কলারশিপ দেওয়া হয় এর আওতায়, যার মেয়াদ তিন বছর।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত বিদেশি শিক্ষার্থীরা কানাডায় পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এমনকি কানাডার নাগরিকেরাও পারবেন আবেদন করতে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের কানাডায় পড়ালেখা করার সুযোগ করে দিতেই কানাডার সরকার এ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। তিন বছরের প্রোগ্রামে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৫৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা) করে দেওয়া হবে।
হেলথ রিসার্চ, ন্যাচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ও স্যোশাল সায়েন্স এ্যান্ড হিউম্যানিটিজ রিসার্চের অধীনে যেকোনো বিষয়ে পিএইচডি করতে পারবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আপনাকে প্রথমে কানাডার কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মানদণ্ড পূরণ করেই এই ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। ভেনিয়ার কানাডা গ্রাজুয়েট স্কলারশিপের কোটা আছে–কানাডার এমন একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা মনোনীত হতে হবে। রিসার্চ অ্যাবিলিটি (জার্নাল, পাবলিকেশন) থাকতে হবে।
ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার স্কোর দেখাতে হবে। কমিউনিকেশন ও লিডারশিপ দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদনকারীদের অবশ্যই পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য অন্য কোনো পুরস্কার, স্কলারশিপ বা তহবিল গ্রহণ করা যাবে না।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
সাধারণত প্রতি বছরের জুলাই মাসে এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন শুরু হয়ে থাকে। শেষ হয় অক্টোবরে। আবেদন করা যায় অনলাইনেই। ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে পুরো প্রক্রিয়া।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা প্রায় সবারই পছন্দ। শিক্ষার মান, স্কলারশিপ, বাৎসরিক টিউশন ফি, আবাসন সুবিধা, শিক্ষার্থীদের আয়ের পথ এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় বাংলাদেশিদের কানাডায় উচ্চশিক্ষার আগ্রহ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
যদিও সম্প্রতি দেশটি বিদেশি শিক্ষার্থী নেওয়া কমিয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে থাকা–খাওয়ার খরচও অনেক। এ কারণে কানাডায় উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপের খোঁজ করেন সবাই। তাদের জন্য ‘ভেনিয়ার কানাডা গ্রাজুয়েট স্কলারশিপ (ভেনিয়ার সিজিএস)’ হতে পারে সেরা অপশন।
পিএইচডির জন্য প্রতিবছর কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৬৬টি স্কলারশিপ দেওয়া হয় এর আওতায়, যার মেয়াদ তিন বছর।
আগে জেনে নিন সুবিধাগুলো
এই স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত বিদেশি শিক্ষার্থীরা কানাডায় পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এমনকি কানাডার নাগরিকেরাও পারবেন আবেদন করতে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের কানাডায় পড়ালেখা করার সুযোগ করে দিতেই কানাডার সরকার এ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। তিন বছরের প্রোগ্রামে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৫৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা) করে দেওয়া হবে।
হেলথ রিসার্চ, ন্যাচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ও স্যোশাল সায়েন্স এ্যান্ড হিউম্যানিটিজ রিসার্চের অধীনে যেকোনো বিষয়ে পিএইচডি করতে পারবেন।
আবেদনে লাগবে যে যোগ্যতা
আপনাকে প্রথমে কানাডার কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মানদণ্ড পূরণ করেই এই ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। ভেনিয়ার কানাডা গ্রাজুয়েট স্কলারশিপের কোটা আছে–কানাডার এমন একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা মনোনীত হতে হবে। রিসার্চ অ্যাবিলিটি (জার্নাল, পাবলিকেশন) থাকতে হবে।
ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার স্কোর দেখাতে হবে। কমিউনিকেশন ও লিডারশিপ দক্ষতা থাকতে হবে। আবেদনকারীদের অবশ্যই পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য অন্য কোনো পুরস্কার, স্কলারশিপ বা তহবিল গ্রহণ করা যাবে না।
কখন কীভাবে আবেদন করবেন
সাধারণত প্রতি বছরের জুলাই মাসে এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন শুরু হয়ে থাকে। শেষ হয় অক্টোবরে। আবেদন করা যায় অনলাইনেই। ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে পুরো প্রক্রিয়া।
আবেদনের বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ ভিসা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। এটি কার্যকর হলে বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য মালয়েশিয়ার ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে উচ্চদক্ষতার চাকরির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আগামী বছর (২০২৬) বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সর্বোচ্চ সীমা ৯ শতাংশ বাড়িয়ে ২ লাখ ৯৫ হাজারে উন্নীত করবে অস্ট্রেলিয়া। এতে অগ্রাধিকার পাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) দেশটির সরকার এই ঘোষণা দিয়েছে।
২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে কানাডার স্টাডি পারমিটের (শিক্ষা অনুমতি) জন্য ব্যাংক সলভেন্সি (আর্থিক সক্ষমতা বা দীর্ঘমেয়াদি দেনা পরিশোধের সক্ষমতা) নীতিমালায় পরিবর্তন আসছে।