
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় মহাসড়কে (ইস্ট কোস্ট হাইওয়ে) মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে তিন বাংলাদেশি নাগরিক। আহত হয়েছে আরও দুজন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুয়ানতান শহরের কাছে মহাসড়কের কিলোমিটার ২০০ দশমিক ৮ নম্বর পয়েন্ট পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বারনামার।
বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়ানতান জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আদলি মাত দাউদ জানান, স্থানীয় সময় (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি বহুমুখী যান টয়োটা অ্যাভাঞ্জা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। নিহতরা হলেন—গাড়িচালক মো. সাব্বির হাসান (৩০), যাত্রী মো. জাহিদ হাসান (২১) ও আবদুল্লাহ (২৪)। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িটি কুয়ানতান থেকে কুয়ালালামপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি রাস্তার বাম পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়িতে থাকা বাকি দুই যাত্রী—মো. হাবিব বিশ্বাস (৪৫) ও মনিরাম চন্দ্র বসুকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়ানতানের টেংকু আমপুয়ান আফজান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পাশাপাশি গাড়িটির রোড ট্যাক্স চলতি বছরের মে মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি মালয়েশিয়ার সড়ক পরিবহন আইনের ১৯৮৭ সালের ৪১ (১) ধারা অনুযায়ী তদন্ত করছে পুলিশ, যা বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর মাধ্যমে প্রাণহানির ঘটনার জন্য প্রযোজ্য।
পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মালয়েশিয়ার পূর্ব উপকূলীয় মহাসড়কে (ইস্ট কোস্ট হাইওয়ে) মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে তিন বাংলাদেশি নাগরিক। আহত হয়েছে আরও দুজন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুয়ানতান শহরের কাছে মহাসড়কের কিলোমিটার ২০০ দশমিক ৮ নম্বর পয়েন্ট পিলারের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বারনামার।
বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়ানতান জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আদলি মাত দাউদ জানান, স্থানীয় সময় (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে একটি বহুমুখী যান টয়োটা অ্যাভাঞ্জা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। নিহতরা হলেন—গাড়িচালক মো. সাব্বির হাসান (৩০), যাত্রী মো. জাহিদ হাসান (২১) ও আবদুল্লাহ (২৪)। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িটি কুয়ানতান থেকে কুয়ালালামপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে সেটি রাস্তার বাম পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। গাড়িতে থাকা বাকি দুই যাত্রী—মো. হাবিব বিশ্বাস (৪৫) ও মনিরাম চন্দ্র বসুকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়ানতানের টেংকু আমপুয়ান আফজান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পাশাপাশি গাড়িটির রোড ট্যাক্স চলতি বছরের মে মাসে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাটি মালয়েশিয়ার সড়ক পরিবহন আইনের ১৯৮৭ সালের ৪১ (১) ধারা অনুযায়ী তদন্ত করছে পুলিশ, যা বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর মাধ্যমে প্রাণহানির ঘটনার জন্য প্রযোজ্য।
পুলিশের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নিহতদের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০)। তারা সপরিবার নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন। অপরজন হলেন—নড়াইলের ফাহিম আলিম (২৭)।
আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে। এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন আরাফাত দিবস। অর্থাৎ দিনটিতে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবিতরা জানিয়েছেন, সমুদ্রের আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত বৈরী। কয়েক ফুট উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে যাত্রার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। লিবীয় জলসীমার ভেতরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। জীবন বাঁচাতে অনেকেই সাগরের হিমশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন।