
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া—ইউপিএম) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত পুরানো শিক্ষার্থীরা। নবীনদের বরণ করতে এবং তাদের মাঝে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ঘটাতে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ান টাকলিমাত হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (বিএসএইউপিএম)।
বিএসএইউপিএমের সভাপতি রাশনী উমাইয়া গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এহতেশাম জিলহান বিন সেলিম। উপস্থাপনায় ছিলেন রাইসা ও উৎসব।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সংগীত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথেম। এরপর নতুন শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট ও গিফট। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় মূল সাংস্কৃতিক পর্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই পর্বে ছিল মনমাতানো সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা।
সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন ইভান, আদনান, সৈকত ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী তাসনিম জান্নাত নিঝু। নৃত্য পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন সুমরিন, ফাহাদ, নওহা ও ফাহমিদা।
অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় করেন ঐশী, সামিরা, আভাস, তানভীর, বাশার, সালমান ফারসি ও রাহাত।

অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে পাশে ছিল প্রাণ মালয়েশিয়া এসডিএন বিএইচডি এবং বিএসএইউপিএম অ্যালামনাই প্যানেল। অ্যালামনাই প্যানেল থেকে উপস্থিত ছিলেন নিপ্পন, মুগ্ধ, বশির ও নিহাদ প্রমুখ।
এ ছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। সংগঠনের উপদেষ্টা এস এম আশিবুর হাসনাত সাদী তাদের সম্মাননা জানিয়ে ক্রেস প্রদান করেন।
১৯৯৭ সালে ইউপিএম প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএসএইউপিএম সেখানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐক্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

মালয়েশিয়ায় পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া—ইউপিএম) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত পুরানো শিক্ষার্থীরা। নবীনদের বরণ করতে এবং তাদের মাঝে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ঘটাতে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ান টাকলিমাত হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (বিএসএইউপিএম)।
বিএসএইউপিএমের সভাপতি রাশনী উমাইয়া গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এহতেশাম জিলহান বিন সেলিম। উপস্থাপনায় ছিলেন রাইসা ও উৎসব।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সংগীত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানথেম। এরপর নতুন শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট ও গিফট। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় মূল সাংস্কৃতিক পর্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই পর্বে ছিল মনমাতানো সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা।
সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন ইভান, আদনান, সৈকত ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী তাসনিম জান্নাত নিঝু। নৃত্য পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন সুমরিন, ফাহাদ, নওহা ও ফাহমিদা।
অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় করেন ঐশী, সামিরা, আভাস, তানভীর, বাশার, সালমান ফারসি ও রাহাত।

অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে পাশে ছিল প্রাণ মালয়েশিয়া এসডিএন বিএইচডি এবং বিএসএইউপিএম অ্যালামনাই প্যানেল। অ্যালামনাই প্যানেল থেকে উপস্থিত ছিলেন নিপ্পন, মুগ্ধ, বশির ও নিহাদ প্রমুখ।
এ ছাড়াও, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাবের সদস্যরা। সংগঠনের উপদেষ্টা এস এম আশিবুর হাসনাত সাদী তাদের সম্মাননা জানিয়ে ক্রেস প্রদান করেন।
১৯৯৭ সালে ইউপিএম প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএসএইউপিএম সেখানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐক্যের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
৯ দিন আগে