
বিডিজেন ডেস্ক

সব বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি ৫ গুণ বাড়িয়েছে জাপান। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই ভিসা ফি কার্যকর হবে। ১৯৭৮ সালের পর, অর্থাৎ ৪৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম এমন পদক্ষেপ নিল জাপান।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৩ হাজার ইয়েন বা ১৮ দশমিক ৬৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার ইয়েন বা ৯২ দশমিক ৭৬ ডলার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৬ হাজার ইয়েন বা ৩৭ দশমিক ১০ ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ইয়েন বা ১৮৫ দশমিক ৫২ ডলারে।
গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি জানান, মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভিসা ফি সংশোধন করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
২০২১ সাল থেকে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান কমছে। বর্তমানে গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ইয়েনের এই দরপতন এবং করোনা পরবর্তী সময়ে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জাপানে পর্যটকদের বৃদ্ধি দেখা গেছে। গত বছর রেকর্ড ৪ কোটি ২৭ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক জাপান সফর করেছেন।
ভিসার পাশাপাশি বিদেশিদের জন্য অন্য ফি বাড়ানোর একটি বিল গত মে মাসে জাপানের উচ্চকক্ষে পাস হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, স্থায়ী বসবাসের আবেদনের সর্বোচ্চ আইনি ফি বর্তমানের ১০ হাজার ইয়েন বা ৬১ দশমিক ৮৪ ডলার থেকে ৩০ গুণ বাড়িয়ে ৩ লাখ ইয়েন বা ১ হাজার ৮৫৫ দশমিক ২২ ডলার করা হচ্ছে। এ ছাড়া, রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস পরিবর্তন বা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর খরচও ১০ হাজার ইয়েন বা ৬১ দশমিক ৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ ইয়েন বা ৬১৮ দশমিক ৪১ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
বিষয়টি নিয়ে জাপানি কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বের অন্য উন্নত জি-৭ অর্থনীতির দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ফি ১৮৫ থেকে ৩১৫ ডলার এবং যুক্তরাজ্যে ৬ মাসের স্ট্যান্ডার্ড শর্ট-টার্ম ভিসার জন্য ১৩৫ পাউন্ড খরচ করতে হয়।

সব বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি ৫ গুণ বাড়িয়েছে জাপান। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই ভিসা ফি কার্যকর হবে। ১৯৭৮ সালের পর, অর্থাৎ ৪৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম এমন পদক্ষেপ নিল জাপান।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৩ হাজার ইয়েন বা ১৮ দশমিক ৬৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার ইয়েন বা ৯২ দশমিক ৭৬ ডলার করা হয়েছে। অন্যদিকে, মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৬ হাজার ইয়েন বা ৩৭ দশমিক ১০ ডলার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ইয়েন বা ১৮৫ দশমিক ৫২ ডলারে।
গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি জানান, মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভিসা ফি সংশোধন করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
২০২১ সাল থেকে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান কমছে। বর্তমানে গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ইয়েনের এই দরপতন এবং করোনা পরবর্তী সময়ে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জাপানে পর্যটকদের বৃদ্ধি দেখা গেছে। গত বছর রেকর্ড ৪ কোটি ২৭ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক জাপান সফর করেছেন।
ভিসার পাশাপাশি বিদেশিদের জন্য অন্য ফি বাড়ানোর একটি বিল গত মে মাসে জাপানের উচ্চকক্ষে পাস হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, স্থায়ী বসবাসের আবেদনের সর্বোচ্চ আইনি ফি বর্তমানের ১০ হাজার ইয়েন বা ৬১ দশমিক ৮৪ ডলার থেকে ৩০ গুণ বাড়িয়ে ৩ লাখ ইয়েন বা ১ হাজার ৮৫৫ দশমিক ২২ ডলার করা হচ্ছে। এ ছাড়া, রেসিডেন্সি স্ট্যাটাস পরিবর্তন বা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর খরচও ১০ হাজার ইয়েন বা ৬১ দশমিক ৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ ইয়েন বা ৬১৮ দশমিক ৪১ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
বিষয়টি নিয়ে জাপানি কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বের অন্য উন্নত জি-৭ অর্থনীতির দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ফি ১৮৫ থেকে ৩১৫ ডলার এবং যুক্তরাজ্যে ৬ মাসের স্ট্যান্ডার্ড শর্ট-টার্ম ভিসার জন্য ১৩৫ পাউন্ড খরচ করতে হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিসা ফি ৩ হাজার ইয়েন বা ১৮ দশমিক ৬৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার ইয়েন বা ৯২ দশমিক ৭৬ ডলার করা হয়েছে।
মেক্সিকোর আইন অনুযায়ী, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া শিশুর বাবা-মাও স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ পান। টিজুয়ানার বহু হাইতিয়ান পরিবার এই সুবিধা গ্রহণ করেছে।
পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বীকার করেছেন, তিনি শাহরিয়ারকে তার অরোকলিনির বাসা থেকে ফুসলিয়ে কোফিনাউ–এর একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যান। একই সন্ধ্যায় তাকে গলা ও পিঠে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।