
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি হামলার কারণে লেবানন থেকে ৪ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ সিরিয়ায় পালিয়েছেন। তাদের অধিকাংশই সিরীয় নাগরিক।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এই তথ্য জানায়। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেছেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি সিরীয় এবং ১ লাখ ১০ হাজার লেবাননের নাগরিক সিরিয়ায় পাড়ি দিয়েছে।
ঘনবসতিপূর্ণ লেবাননের রাজধানী বৈরুত ক্রমবর্ধমানভাবে ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। রাভিনা বলেন, হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহ ও অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। যার কারণে উত্তর ইসরায়েলেও মৃত্যু হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে রাভিনা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বৈরুত শহরের কেন্দ্রে ‘সবচেয়ে ভারী’ বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২২ জন নিহত এবং আরও শতাধিক আহত হয়েছেন।
রাভিনা বলেন, ‘সংঘাতের সর্বশেষ এই পর্যায়ে এসে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লেবাননের জনগণ। দেশটির জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে নিহত হওয়া ২ হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনই নারী ও শিশু।’
এ সময় তিনি হাসপাতাল, ক্লিনিক, অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলসহ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। আবাসিক ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি তিনি গত বছরের অক্টোবর থেকে লেবাননে চিকিৎসা ও জরুরি সেবার একশোর বেশি কর্মী নিহত হওয়ার ওপরও জোর দিয়েছিলেন।

ইসরায়েলি হামলার কারণে লেবানন থেকে ৪ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ সিরিয়ায় পালিয়েছেন। তাদের অধিকাংশই সিরীয় নাগরিক।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা এই তথ্য জানায়। তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেছেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজারেরও বেশি সিরীয় এবং ১ লাখ ১০ হাজার লেবাননের নাগরিক সিরিয়ায় পাড়ি দিয়েছে।
ঘনবসতিপূর্ণ লেবাননের রাজধানী বৈরুত ক্রমবর্ধমানভাবে ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। রাভিনা বলেন, হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহ ও অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। যার কারণে উত্তর ইসরায়েলেও মৃত্যু হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে রাভিনা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বৈরুত শহরের কেন্দ্রে ‘সবচেয়ে ভারী’ বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ওই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২২ জন নিহত এবং আরও শতাধিক আহত হয়েছেন।
রাভিনা বলেন, ‘সংঘাতের সর্বশেষ এই পর্যায়ে এসে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লেবাননের জনগণ। দেশটির জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে নিহত হওয়া ২ হাজার মানুষের মধ্যে প্রায় ৪০০ জনই নারী ও শিশু।’
এ সময় তিনি হাসপাতাল, ক্লিনিক, অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলসহ বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। আবাসিক ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি তিনি গত বছরের অক্টোবর থেকে লেবাননে চিকিৎসা ও জরুরি সেবার একশোর বেশি কর্মী নিহত হওয়ার ওপরও জোর দিয়েছিলেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছর বয়সী। তাদের মধ্যে ৬ জন ডাক্তার সেজে অভিবাসী সম্প্রদায়ের লোকদের চিকিৎসা দিচ্ছিল।
রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) জানায়, টাম্বলার রিজ এলাকার একটি হাইস্কুলের ভেতরে ৬ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বাড়িতে আরও ২ জনকে মৃত পাওয়া গেছে। আরেকজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।
মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তাদের ওয়েবসাইটে এ নির্দেশনা পোস্ট করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘এ জলপথ দিয়ে চলাচলকারী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করে যতটা সম্ভব ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা থেকে দূরে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম গুছিয়ে নিতেই মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ। দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম গালফ নিউজ এ খবর জানিয়েছে।