
বিডিজেন ডেস্ক

আরব বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্থূলতার হার কুয়েতে। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যার ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষই স্থূলতায় আক্রান্ত। ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ফোরামের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
অস্বাস্থ্যকর ডায়েট, ফাস্ট ফুড গ্রহণ এবং শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় জীবনযাত্রার কারণে কুয়েতে স্থূলতার হার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ প্রসঙ্গে চর্মরোগ ও স্থূলতা বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মাদ আল কাসিমি বলেন, স্থূলতা কেবল একটি জীবনযাত্রার সমস্যা নয়। এটি একটি রোগ যা কুয়েতের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে।
এই চিকিৎসক জানান, স্থূলতা হরমোন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ব্যাহত করে, যার ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়।
ড. মোহাম্মাদ আল কাসিমি বলেন, স্থূলতার সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের কারণে সমস্যাটি আরও জটিল হচ্ছে। আমাদের এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখনই সময়।

আরব বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্থূলতার হার কুয়েতে। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যার ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষই স্থূলতায় আক্রান্ত। ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ফোরামের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
অস্বাস্থ্যকর ডায়েট, ফাস্ট ফুড গ্রহণ এবং শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় জীবনযাত্রার কারণে কুয়েতে স্থূলতার হার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ প্রসঙ্গে চর্মরোগ ও স্থূলতা বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মাদ আল কাসিমি বলেন, স্থূলতা কেবল একটি জীবনযাত্রার সমস্যা নয়। এটি একটি রোগ যা কুয়েতের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে।
এই চিকিৎসক জানান, স্থূলতা হরমোন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ব্যাহত করে, যার ফলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়।
ড. মোহাম্মাদ আল কাসিমি বলেন, স্থূলতার সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের কারণে সমস্যাটি আরও জটিল হচ্ছে। আমাদের এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখনই সময়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।