বিডিজেন ডেস্ক
ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশগামী লোকজনের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বিদেশ যাওয়ার সময় লোকজন তাদের অর্থসামগ্রীও নিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া অনেক শিক্ষিত ও দক্ষ লোক ইসরায়েল ছেড়ে যাচ্ছেন। ইসরায়েলিরা এত সংখ্যায় বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন যে, দেশটি আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েনি।
জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এভাবে লোকজন বিদেশে পাড়ি জমাতে থাকলে দীর্ঘ মেয়াদে ইসরায়েলের ব্যাপক ক্ষতি বেশি হবে।
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে ৪০ হাজার ৬০০ ইসরায়েলি দেশ ছেড়েছেন। ২০২৩ সালে যত মানুষ ইসরায়েল ছেড়েছিল, এ বছর তার চেয়ে বেশি মানুষ দেশ ছেড়েছেন।
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো দীর্ঘ মেয়াদে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া ও ফিরে আসা ব্যক্তিদের হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করেছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলেন ৫৫ হাজার ৪০০ মানুষ। আগের এক দশকের গড়ের তুলনায় যা ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে ইসরায়েল থেকে প্রতিবছর গড়ে ৩৭ হাজার ১০০ ব্যক্তি বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। একই সময় ২৭ হাজার ৮০০ ব্যক্তি সেখানে ফিরেছেন, যা এক দশকের গড় ২৩ হাজার ৮০০–এর তুলনায় বেশি।
এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েলে বিদেশে পাড়ি দেওয়া ও ফিরে আসা ব্যক্তিদের যে হিসাবের পদ্ধতি ছিল, তাতে অভিবাসী হওয়া ও দেশে ফেরা ব্যক্তিদের সংখ্যা কম দেখানো হতো। নতুন হিসাবে দেখা গেছে, গত ১০ বছরে আরও ১ লাখ ২৬ হাজার ১০০ নাগরিক ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
২০২৩ সালে ইসরায়েল থেকে অভিবাসী হওয়া ব্যক্তিদের ৩৯ শতাংশই তেল আবিবসহ ধনী জেলাগুলোর বাসিন্দা ছিলেন। এর মধ্যে ২৮ শতাংশ ব্যক্তি হাইফা ও উত্তরাঞ্চলের আর ১৫ শতাংশ দক্ষিণাঞ্চলের। এর বাইরে জেরুজালেম থেকে ১৩ শতাংশ ও জুডিয়া ও সামারিয়া থেকে ৫ শতাংশ ব্যক্তি বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন।
তবে এ বছরের গ্রীষ্মে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া মানুষের হার বাড়ে। এ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে গড়ে ৫ হাজার ২০০ জন দেশ ছেড়েছিলেন। কিন্তু গত জুন ও জুলাই মাসে তা ৭ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে যায়।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট
ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশগামী লোকজনের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বিদেশ যাওয়ার সময় লোকজন তাদের অর্থসামগ্রীও নিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া অনেক শিক্ষিত ও দক্ষ লোক ইসরায়েল ছেড়ে যাচ্ছেন। ইসরায়েলিরা এত সংখ্যায় বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন যে, দেশটি আগে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েনি।
জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এভাবে লোকজন বিদেশে পাড়ি জমাতে থাকলে দীর্ঘ মেয়াদে ইসরায়েলের ব্যাপক ক্ষতি বেশি হবে।
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথম সাত মাসে ৪০ হাজার ৬০০ ইসরায়েলি দেশ ছেড়েছেন। ২০২৩ সালে যত মানুষ ইসরায়েল ছেড়েছিল, এ বছর তার চেয়ে বেশি মানুষ দেশ ছেড়েছেন।
ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো দীর্ঘ মেয়াদে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া ও ফিরে আসা ব্যক্তিদের হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করেছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলেন ৫৫ হাজার ৪০০ মানুষ। আগের এক দশকের গড়ের তুলনায় যা ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে ইসরায়েল থেকে প্রতিবছর গড়ে ৩৭ হাজার ১০০ ব্যক্তি বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। একই সময় ২৭ হাজার ৮০০ ব্যক্তি সেখানে ফিরেছেন, যা এক দশকের গড় ২৩ হাজার ৮০০–এর তুলনায় বেশি।
এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েলে বিদেশে পাড়ি দেওয়া ও ফিরে আসা ব্যক্তিদের যে হিসাবের পদ্ধতি ছিল, তাতে অভিবাসী হওয়া ও দেশে ফেরা ব্যক্তিদের সংখ্যা কম দেখানো হতো। নতুন হিসাবে দেখা গেছে, গত ১০ বছরে আরও ১ লাখ ২৬ হাজার ১০০ নাগরিক ইসরায়েল ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।
২০২৩ সালে ইসরায়েল থেকে অভিবাসী হওয়া ব্যক্তিদের ৩৯ শতাংশই তেল আবিবসহ ধনী জেলাগুলোর বাসিন্দা ছিলেন। এর মধ্যে ২৮ শতাংশ ব্যক্তি হাইফা ও উত্তরাঞ্চলের আর ১৫ শতাংশ দক্ষিণাঞ্চলের। এর বাইরে জেরুজালেম থেকে ১৩ শতাংশ ও জুডিয়া ও সামারিয়া থেকে ৫ শতাংশ ব্যক্তি বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন।
তবে এ বছরের গ্রীষ্মে ইসরায়েল ছেড়ে যাওয়া মানুষের হার বাড়ে। এ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে গড়ে ৫ হাজার ২০০ জন দেশ ছেড়েছিলেন। কিন্তু গত জুন ও জুলাই মাসে তা ৭ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে যায়।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট
এই উদ্যোগের পর বিদেশি শিক্ষার্থী, বিনিময় কর্মী ও বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজন হলেও দেশটিতে বাড়তি সময় অবস্থান করা কঠিন হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে একটি ক্যাথলিক স্কুলে জানালা দিয়ে বন্দুক হামলা চালিয়েছে এক ব্যক্তি। এতে ৮ ও ১০ বছর বয়সী ২ শিশু নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমশক্তির ৩৭ শতাংশ বাংলাদেশি। এ বছরের (২০২৫) জুনের শেষ পর্যন্ত ৮ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নিয়ে সেখানে কর্মরত ছিলেন।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।