
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ রাজ্যের সিডনিতে গাড়ি দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় সিডনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ইসমাইল হোসেন (৩৫)। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের খেজুরতলা এলাকার আমানত উল্লাহর ছেলে।
জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য ইসমাইল অস্ট্রেলিয়ায় যান।
ঘটনার দিন মধ্যরাতে ইসমাইল বন্ধুর গাড়িতে করে ওয়াইলি পার্কের বাসায় ফেরেন। এরপর ইসমাইল তাঁর বন্ধুকে গাড়িটি পার্ক করতে সহায়তা করছিলেন। সেখানে গাড়িচাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
নিহত ইসমাইল হোসেনের চাচাতো ভাই মো. শরিফ হোসেন বলেন, যে গাড়িটি ইসমাইলকে চাপা দিয়েছে, সেটি চালাচ্ছিলেন তাঁরই বন্ধু। ওই বন্ধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইসমাইলকে চাপা দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ রাজ্যের সিডনিতে গাড়ি দুর্ঘটনায় এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় সিডনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ইসমাইল হোসেন (৩৫)। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের খেজুরতলা এলাকার আমানত উল্লাহর ছেলে।
জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য ইসমাইল অস্ট্রেলিয়ায় যান।
ঘটনার দিন মধ্যরাতে ইসমাইল বন্ধুর গাড়িতে করে ওয়াইলি পার্কের বাসায় ফেরেন। এরপর ইসমাইল তাঁর বন্ধুকে গাড়িটি পার্ক করতে সহায়তা করছিলেন। সেখানে গাড়িচাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
নিহত ইসমাইল হোসেনের চাচাতো ভাই মো. শরিফ হোসেন বলেন, যে গাড়িটি ইসমাইলকে চাপা দিয়েছে, সেটি চালাচ্ছিলেন তাঁরই বন্ধু। ওই বন্ধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইসমাইলকে চাপা দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
নিহতরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কড়ইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ হীরামন (৬০) এবং তার ছেলে নাজমুল রোবেল (৩০)। তারা সপরিবার নিউইয়র্কের লাউডনভিলে বসবাস করতেন। অপরজন হলেন—নড়াইলের ফাহিম আলিম (২৭)।
আরব আমিরাত সরকার জানিয়েছে, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস জিলহজ শুরু হতে পারে আগামী ১৮ মে। এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন আরাফাত দিবস। অর্থাৎ দিনটিতে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়।
টরন্টো পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটের দিকে ডেনফোর্থ অ্যাভিনিউ ও বাইং অ্যাভিনিউ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আহনাফকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জীবিতরা জানিয়েছেন, সমুদ্রের আবহাওয়া ছিল অত্যন্ত বৈরী। কয়েক ফুট উঁচু ঢেউয়ের আঘাতে যাত্রার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। লিবীয় জলসীমার ভেতরেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। জীবন বাঁচাতে অনেকেই সাগরের হিমশীতল পানিতে ঝাঁপ দেন।